Sunita Williams: নাসার প্রাক্তন নভোচারী সুনীতা উইলিয়ামস বর্তমানে ভারতে সফররত। সম্প্রতি মহাকাশ সংস্থা নাসা থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি বলেন, তাঁর চাঁদে যাওয়ার ইচ্ছে থাকলেও সেই সুযোগ তিনি নতুন প্রজন্মের হাতে তুলে দিতে চান।
নাসার প্রাক্তন নভোচারী সুনীতা উইলিয়ামস বর্তমানে ভারতে সফররত। সম্প্রতি মহাকাশ সংস্থা নাসা থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি বলেন, তাঁর চাঁদে যাওয়ার ইচ্ছে থাকলেও সেই সুযোগ তিনি নতুন প্রজন্মের হাতে তুলে দিতে চান। তাঁর মতে, মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ তরুণদের হাতেই থাকা উচিত।
৬০ বছর বয়সী সুনীতা উইলিয়ামস আশা প্রকাশ করেন যে ভবিষ্যতে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে মহাকাশ গবেষণায় কাজ করবে। তিনি বলেন,“আমি আশা করি যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত মহাকাশে একসঙ্গে কাজ করবে। আমি নিজে চাঁদে যেতে খুবই চাইতাম, কিন্তু এই সুযোগটা নতুন প্রজন্মের জন্য ছেড়ে দিতে চাই। মহাকাশে তরুণদের জন্য অসংখ্য সুযোগ রয়েছে—তাদের আরও অনুসন্ধান করা উচিত এবং বেশি করে অংশ নেওয়া উচিত।”
ভারতে ফিরে এসে নিজের অনুভূতির কথা জানাতে গিয়ে উইলিয়ামস বলেন, পৃথিবীতে ফেরাটা তাঁর কাছে স্বস্তির ছিল। দীর্ঘ সময় মহাকাশে থাকার পর শারীরিক ও মানসিকভাবে স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লেগেছে। তিনি জানান, মহাকাশ থেকে ফেরার পর পরিবারকে নিয়ে ছুটিতে যাওয়ার পরিকল্পনাও করেছিলেন। পুরো সময়জুড়ে তাঁর পরিবার তাঁকে সমর্থন করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, একটি আট দিনের মিশন চলাকালীন বোয়িং স্টারলাইনার মহাকাশযানের যান্ত্রিক সমস্যার কারণে সুনীতা উইলিয়ামসকে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (ISS) নয় মাসেরও বেশি সময় থাকতে হয়েছিল। ২৭ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি আইএসএস-এ তিনটি মিশন সম্পন্ন করেন এবং মানব মহাকাশযাত্রায় একাধিক রেকর্ড গড়েন।
নাসা জানায়, সুনীতা উইলিয়ামস মোট ৬০৮ দিন মহাকাশে কাটিয়েছেন, যা নাসার কোনো নভোচারীর ক্ষেত্রে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। নাসা তাঁকে ‘মানব মহাকাশযাত্রার পথপ্রদর্শক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। গুজরাতি বংশোদ্ভূত এই নভোচারীর সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মহাকাশ গবেষণায় অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।
(Feed Source: news18.com)