
Google: বাচ্চা থেকে বুড়ো, যদি কারও কিছু জিজ্ঞাসা করার বা শেখার প্রয়োজন হয়, তারা সঙ্গে সঙ্গে গুগলে তা এক মিনিটেই সার্চ সিস্টেমের মাধ্যমে অনুসন্ধান করে নিতে পারেন। আসলে দ্রুততার জীবনে এবং প্রযুক্তির এই আধুনিক যুগে, এটি কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার। কিন্তু জানেন কী যেই সার্চ ইঞ্জিনটিকে এতো ভরসা করে বেস্ট বানিয়ে বসেছেন, সেই গুগলেই কিছু জিনিস অনুসন্ধান করা আপনার জন্য বিরাট ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। মুহূর্তে জীবনে নেমে আসতে পারে কালো অন্ধকার।
একটা সময় ছিল যখন বই থেকে অর্জিত জ্ঞানই মানুষকে জ্ঞানী করে তুলত। তবে, আজ যুগ পাল্টেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যেহেতু ইন্টারনেট আমাদের জীবনে ঢুকে পড়েছে শুধু না, আমাদের জীবন কার্যত শাসন করছে, তাই এই অন্তর্জালের মধ্যেই আমরা খুঁজে পেয়ে যাই আমাদের বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর।
সোশ্যাল মিডিয়ায় সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন হোক বা প্রযুক্তিগত জ্ঞান, আমরা মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু শিখতে পারি এই ইন্টারনেটের মাধ্যমে। আর সেক্ষেত্রে আমরা বেশিরভাগ সময়ই গুগলের মতো সার্চ ইঞ্জিনের উপরে নির্ভর করি।
গুগল আমাদের জীবনে একজন শিক্ষকের মতো স্থান দখল করে নিয়েছে, যার কাছ থেকে আমরা যে কোনও কিছু জিজ্ঞাসা করতে পারি আবার বেশিরভাগ সময় পেয়েও যাই সঠিক উত্তর।
বাচ্চা থেকে বুড়ো, যদি কারও কিছু জিজ্ঞাসা করার বা শেখার প্রয়োজন হয়, তারা সঙ্গে সঙ্গে গুগলে তা এক মিনিটেই সার্চ সিস্টেমের মাধ্যমে অনুসন্ধান করে নিতে পারেন। আসলে দ্রুততার জীবনে এবং প্রযুক্তির এই আধুনিক যুগে, এটি কয়েক সেকেন্ডের ব্যাপার।
কিন্তু জানেন কী যেই সার্চ ইঞ্জিনটিকে এতো ভরসা করে বেস্ট বানিয়ে বসেছেন, সেই গুগলেই কিছু জিনিস অনুসন্ধান করা আপনার জন্য বিরাট ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। মুহূর্তে জীবনে নেমে আসতে পারে কালো অন্ধকার।
আজ এই প্রতিবেদনে আসুন জেনে নেওয়া যাক গুগলে আপনার কী কী অনুসন্ধান করা এড়িয়ে চলা উচিত। এমনকি মজা করেও, আপনার কখনই এই ‘জিনিসগুলি’ আপনার অনুসন্ধান ইতিহাসে রাখা উচিত নয়। বিপাকে পড়বেন। দেখে নিন কী কী?
প্রথমত, বোমা তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করা একটি ফৌজদারি অপরাধ। নিরাপত্তা সংস্থাগুলি এই বিষয়ে কড়া নজর রাখে। বোমা বা অস্ত্র তৈরির সঙ্গে সম্পর্কিত যে কোনও প্রশ্ন গুগলে করা আগে দশবার ভাবা উচিত। এবং এই ধরণের প্রশ্ন করা সবসময় আমাদের এড়ানো উচিত। যদি এই হিস্ট্রি নিরাপত্তা সংস্থাগুলি লক্ষ্য করে, তাহলে পরের রাতটি আপনাকে কিন্তু জেলে কাটাতে হতে পারে।
অনেকেই গুগল থেকে বিনামূল্যে সিনেমা ডাউনলোড করার চেষ্টা করেন অথবা অনলাইনে দেখেন। পাইরেসি বা গুগলে সিনেমা অনুসন্ধান করা একটি অপরাধ যা কারাদণ্ডের শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এটি করলে কমপক্ষে তিন বছরের জেল এবং ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
একইসঙ্গে গুগলে হ্যাকিং টিউটোরিয়াল বা সফটওয়্যার খুঁজলেও আপনি সমস্যায় পড়তে পারেন। গুগল সার্চ ব্যবহার করে ইন্টারনেটে হ্যাকিং টিপস খুঁজলে যে কেউ কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারে এমনকি জেলও খাটতে হতে পারে।
এছাড়া, গর্ভপাত এবং শিশু পর্নোগ্রাফির মতো অবৈধ কার্যকলাপের খোঁজ করলে আপনি বিপদে পড়তে পারেন। এগুলো সম্পূর্ণ অপরাধ এবং কঠোর আইনের আওতায় পরে। যদি কেউ এমন কাজ করে ধরা পড়ে তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি জেল পর্যন্ত হতে পারে তাঁর।
(Feed Source: news18.com)
