
শোনা যাচ্ছিল অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন নির্বাচকমণ্ডলী ভারতীয় পুরুষ দলের চুক্তির ক্ষেত্রে গ্রেডিংয়ে বদলের প্রস্তাব দিয়েছেন। খবর অনুযায়ী, বার্ষিক চুক্তির ক্ষেত্রে বোর্ড যে পরিবর্তন আনতে পারে, তার জেরে তিনটি মাত্র গ্রেড, ‘এ’, ‘বি’ এবং ‘সি’-ই থাকবে। অতীতের সর্বোচ্চ গ্রেড ‘এ+’ আর থাকবে না। এই নতুন মডেল আসার পর রো-কো জুটির অবনমন হতে পারে। অতীতে এই দুই মহাতারকা ভারতীয় বোর্ডের চুক্তির সর্বোচ্চ গ্রেডে ছিলেন, তবে বর্তমানে তাঁরা মাত্র এক ফর্ম্যাটই খেলেন, তাই তাঁদের খবর অনুযায়ী ‘বি’ গ্রেডে অবনমিত করা হতে পারে। বিসিসিআইয়ের সূত্র মারফৎ এমনই দাবি করা হচ্ছে।
সেই জল্পনা যে সত্যি তা স্বীকার করে নিলেন বোর্ড সচিব। তিনি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানান, ‘পরিকল্পনাটা খুবই দ্রুত বাস্তবায়িত হবে। আমরা একটি ক্যাটাগরি বাদ দিচ্ছি কারণ আগে যারা এ+ ক্যাটাগরিতে ছিলেন তাঁরা বর্তমানে মাত্র তিন ফর্ম্যাটের মধ্যে একটি ফর্ম্যাট খেলছেন। আমাদের এ+ ক্যাটাগরির জন্য় আমরা যে মানদণ্ড সেট করেছি, তাতে কেউই ওই ক্যাটাগরিতে পড়ছেন না।’
তিনি আরও ব্যাখা করেন, ‘এ+ ক্যাটাগরিতে যাঁরা ছিলেন তাঁদের অনেকেই কেবল এক ফর্ম্যাটেই খেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সুতরাং, ওই ক্যাটাগরিতে থাকার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে ক্রিকেটার নেই। এক ফর্ম্যাট খেলা ক্রিকেটার তো আর এ+ ক্যাটাগরির জন্য গণ্য হতে পারেন না। সেই কারণেই এই কঠোর সিদ্ধান্ত আমাদের নিতে হয়েছে। এর পিছনে কোনও ব্যক্তিগত জ্বালা নেই।’
ফলে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা যে তাঁদের বার্ষিক চুক্তি থেকে অবনমিত হচ্ছেন, তা নিশ্চিত। ২০২৪-২৫ সালের চুক্তি অনুযায়ী ‘এ+’ গ্রেডে থাকা ক্রিকেটাররা বার্ষিক চুক্তি থেকে সাত কোটি এবং তারপর যথাক্রমে পাঁচ, তিন এবং এক কোটি টাকা করে পেতেন। ‘এ+’ গ্রেড সরিয়ে, তিন গ্রেড রাখার এই নতুন মডেলের এখনও পর্যন্ত কেবল প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিসিসিআইয়ের বোর্ড কর্তারা সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেন কি না এবং তাহলে সেক্ষেত্রে কোন গ্রেডের ক্রিকেটাররা কীরকম টাকা পয়সা পাবেন, সেই বিষয়টা বোর্ডের অ্যাপেক্স কাউন্সিল বৈঠকের পরেই স্পষ্টভাবে জানা যাবে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই বার্ষিক চুক্তি কিন্তু খেলোয়াড়দের আয় নিশ্চিত করারই একটি প্রক্রিয়া। চুক্তিতে না থাকলেও তাঁরা দলের হয়ে সুযোগ পেতেই পারেন এবং প্রতিটি ম্যাচ খেলার জন্য তাঁরা ম্যাচ ফি পান যা এই চুক্তির অর্থ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন।
(Feed Source: abplive.com)
