)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সাধারণতন্ত্র দিবসে সেনার কুচকাওয়াজ, বর্ণাঢ্য ট্যাবলোয় মেতে উঠল দিল্লির কর্তব্যপথ। বিদেশি অতিথিদের সেসব বুঝিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রঙিন পাগড়ি, হালকা ফেডেড ব্লু রঙের জওহর কোটে নজর কাড়লেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাষ্ট্রপতির দৌপদী মুর্মুর সঙ্গে ছিলেন এবার সাধারণতন্ত্র দিবসের মূল অতিথি ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্টোনিও কোস্টা ও ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন।
কে এই অ্যান্টোনিও কোস্টা? অ্ন্টোনিও কোস্টা পর্তুগালের একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা। ২০২৪ সাল থেকে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ইউরোপীয় কাউন্সিল হল ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সর্বোচ্চ নীতি-নির্ধারণী সংস্থা। ইইউভুক্ত সকল সদস্য রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধানদের নিয়ে গঠিত। এই কাউন্সিল সরাসরি কোনো আইন তৈরি না করলেও, পুরো ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ পথচলা, কৌশল এবং অগ্রাধিকারসমূহ নির্ধারণে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
অ্যান্টোনিও কোস্টা ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬১ সালের ১৭ জুলাই পর্তুগালের লিসবনে তাঁর জন্ম। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তানের জনক।
একজন সাংসদ সদস্য হিসেবে কোস্টা পর্তুগালের রাজনীতিতে তাঁর যাত্রা শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি সরকারের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন, যার মধ্যে ছিলেন স্বরাষ্ট্র সচিব, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী, বিচার মন্ত্রী এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ক মন্ত্রী। দু বছর আগে পলিটিকো-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে ‘ওভারসিজ সিটিজেন কার্ড’দিয়েছেন।
অন্যদিকে, উরসুলা ভন ডার লিয়েন একজন জার্মান স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি ইউরোপীয় কমিশনের প্রথম মহিলা প্রেসিডেন্ট। ১৯৫৮ সালের অক্টোবরে জন্ম নেওয়া লিয়েন তাঁর জীবনের প্রথম ১৩ বছর ব্রাসেলসে কাটিয়েছেন। টাইম ম্যাগাজিনের তথ্যমতে, তাঁর বাবা এমন এক সময়ে ইউরোপীয় কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন যখন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ‘ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি’ নামে পরিচিত ছিল। উরসুলা জার্মানির দুটি বিশ্ববিদ্যালয় এবং লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্সে (LSE) অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। কিন্তু তিনি স্নাতক শেষ করেননি।
আচমকাই তাঁর জীবনে বদল আসে। হ্যানোভারে চিকিৎসাশাস্ত্রে পড়াশোনা শুরু করেন এবং ১৯৯১ সালে ডাক্তার হিসেবে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। তাঁর স্বামী একজন চিকিৎসাশাস্ত্রের অধ্যাপক। সাত সন্তানের জননী উরসুলা ফন ডার লেয়েন তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন চল্লিশের কোঠায় পৌঁছে। ১৯৯০ সালে তিনি জার্মানির প্রাক্তন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মার্কেলের দল ‘ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন’-এ যোগ দেন।
(Feed Source: zeenews.com)
