ED vs IPAC case in Supreme Court: ‘ED-র তল্লাশি করার কোনও এক্তিয়ার নেই’… সুপ্রিম কোর্টে I-Pac কাণ্ডের শুনানির আগেই বড় আপডেট, হলফনামা!

ED vs IPAC case in Supreme Court: ‘ED-র তল্লাশি করার কোনও এক্তিয়ার নেই’… সুপ্রিম কোর্টে I-Pac কাণ্ডের শুনানির আগেই বড় আপডেট, হলফনামা!

অর্ণবাংশু নিয়োগী:  আই প্যাক মামলার শুনানির আগে শীর্ষ আদালতে জমা পড়ল হলফনামা। হলফনামায় মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, সূত্র

দুই পক্ষর হলফনামা ও জবাবি হাফনামা জমা পড়ল। আগামীকাল মামলার শুনানি।

রাজ্যের দাবি : অবিলম্বে এই মামলা খারিজ করা হোক। সমান্তরাল মামলা চলতে পারে না। প্রতীক জৈন ও আইপ্যাকের অফিসে ইডির হামলা এবং অতি তত্‍পরতার সঙ্গে এই তল্লাশি অভিযান নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। কেন সকাল ৬ টায় আইপ্যাকের অফিসে হানা? কী এমন দরকার পড়ল যে, কাকভোরে হানা দিতে হল ইডিকে। যে দুটো জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে, তার কোনও যুক্তি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি, এই ধরনের অভিযান হলে, আগে থেকে নোটিস জারি করতে হয় বা ইন্টিমেশন দিতে হয় দুই পক্ষকেই। কিন্তু ইডি তা করেনি।

কলকাতা হাইকোর্টে একই ধরণের মামলা বিচারাধীন।  ইডির সুপ্রিম কোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করার মৌলিক অধিকার নেই। সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গোপনীয়তার অধিকার লঙ্ঘন করা হয়েছে। রাজ্য হাইকোর্টের পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টের ‘সমান্তরাল কার্যক্রম’ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে।

পাল্টা হলফনামায় রাজ্য 

ইডির  তল্লাশি  করার ক্ষমতা নেই এবং  তল্লাশির আগে কোনও কার্যকর নোটিশ দেওয়া হয়নি। ইডি অধিকার লঙ্ঘন করেছে।

এর আগে, সুপ্রিম কোর্টে হাইভোল্টেজ ED vs IPAC মামলার শুনানিতে কপিল সিব্বল, অভিষেক মনু সিংভি সহ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সকলেই রয়েছেন তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করেছেন।

ইডির পক্ষে সলিসিটর জেনারেল (SG) আই-প্যাক (ED raids in I-PAC) তল্লাশির সময় এক শকিং প্যাটার্নে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের অভিযোগ করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন যে, যখন সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলো তাদের দায়িত্ব পালন করছিল, তখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ইউনিফর্ম পরা পুলিস অফিসারদের নিয়ে সেখানে ঢুকে পড়েন এবং অভিযানে বাধা সৃষ্টি করেন।

সলিসিটর জেনারেল আরও দাবি করেন যে, উপস্থিত পুলিস অফিসাররা এমনকি তল্লাশিস্থলেই ধরনায় বসেছিলেন।

ইডির আইনজীবী বলেন,

অর্থ তছরুপ হয়েছে গোয়া নির্বাচনে

ইডি যদি পার্টি অফিস যেত তাহলে মানা যেত! আপনাদের পার্টি বিষয় নিয়ে আমাদের কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই। – SG

তুষার মেহতা –
যারা এই মামলায় সওয়াল করছেন, তাঁরা বিস্তারিত তথ্য দিয়ে প্রেস কনফারেন্স করবেন না। এটা উচিত নয়

সিব্বল – এই কোর্ট এবং এই মামলা সবটাই দেশের সম্পত্তি। সবার জানা উচিত

সিংভি –

বিশেষ পরিস্থিতি ছাড়া ইডি সরাসরি সুপ্রিম কোর্টে আসতে পারে না। এটা দেখা উচিত।
রাজ্য এবং ডিজিপি হয়ে সিনভি

৬:৩০ তে তল্লাশি শুরু।
১১:৩০ তে ইমেইল করা হয়। এটা কী করে করা হতে পারে? ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে ইডি। মুখ্যমন্ত্রী জেড প্লাস নিরাপত্তা পান। তাকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি গেলে তো আধিকারিকরা যাবেনই।-

এএসজি, এসভি রাজু –

সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন আছে।
এটা শুধু চুরি নয়, ডাকাতি
সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ছিল।
চার পাঁচজন ছিলেন। পুলিস ছিল। তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। এটার জন্যে সিবিআই তদন্ত প্রিয়জন – এসভি রাজু।

এটা আবেদন গ্রহন যোগ্য নয়। সুপ্রিম কোর্টে সরকারি আসার ক্ষেত্রে বেশ কিছু পরিস্থিতি আছে
আমার ক্লায়েন্ট অভিযোগ দায়ের করার পর ইডির আধিকারিকরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগ করেছেন।

সিংভি পঞ্চনামায় যে শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো নোট করা হয়েছে উচিত –
রেলেভেন্ট
শান্তিপূর্ণ তল্লাশি চলছিল
হয় পঞ্চনামা ভুল নয়তো আদালতে আবেদন ভুল
একটি ক্যাজুয়াল ইমেইলের মাধ্যমে থানাকে জানানো হয়।

৬:৩০ তে তল্লাশি শুরু
১১:৩০ তে ইমেইল করা হয়
এটা কী করে করা হতে পারে?
ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে ইডি
মুখ্যমন্ত্রী জেড প্লাস নিরাপত্তা পান। তাকে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তিনি গেলে তো আধিকারিকরা যাবেনই।
এএসজি, এসভি রাজু –

সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন আছে- ইডির আইনজীবী বলেন…
এটা শুধু চুরি নয়, ডাকাতি, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ছিল। চার পাঁচজন ছিলেন। পুলিস ছিল। তাদের হাতে অস্ত্র ছিল। এটার জন্যে সিবিআই তদন্ত প্রিয়জন – এসভি রাজু।
অতীতের ললিতা কুমারী মামলার উল্লেখ

আইন অনুযায়ী, শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে এফআইআর নথিবদ্ধ করা বাধ্যতামূলক।
এটা আদালত গ্রাহ্য অপরাধ । তাই FIR দায়ের হয়েছে। এটা পুলিসকে দিয়ে তদন্ত সম্ভব নয়। মুখ্যমন্ত্রী, ডিজি যেখানে ছিলেন। সিপি ছিলেন। সেখানে পুলিসর কাছে অভিযোগ করার মানে নেই। – এস ভি রাজু
স্থানীয় পুলিসকে কেন তদন্ত করতে দেওয়া উচিত নয় ?
যেখানে এই অপরাধ হয়েছে, সেখানে পুলিস মন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী এবং শীর্ষ স্থানীয় পুলিস আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। তাই এই মামলার তদন্ত স্থানীয় পুলিস নয়, সিবিআইয়ের হাতে দেওয়া উচিত।

কাল এই মামলার শুনানি হাইকোর্টে। এখন দেখার বিষয়, জল কোথায় গড়ায়।

(Feed Source: zeenews.com)