Solar Flares- সূর্যের উপর তৈরি হওয়া একটি অত্যন্ত বিশাল ও বিপজ্জনক সানস্পট এই মুহূর্তে বিজ্ঞানীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এই সানস্পট গত দুদিনে একাধিক সৌর শিখা সৃষ্টি করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে রিজিয়ন ৪৩৬৬।
নয়াদিল্লি : সূর্যের উপর তৈরি হওয়া একটি অত্যন্ত বিশাল ও বিপজ্জনক সানস্পট এই মুহূর্তে বিজ্ঞানীদের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। এই সানস্পট গত দুদিনে একাধিক সৌর শিখা সৃষ্টি করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে রিজিয়ন ৪৩৬৬। এর মধ্যে সাম্প্রতিক বছরগুলোর সবচেয়ে শক্তিশালী সৌর বিস্ফোরণও রয়েছে।
মার্কিন সংস্থা NOAA-এর স্পেস ওয়েদার প্রেডিকশন সেন্টার–এর মতে, ৫ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীতে ভূ-চৌম্বকীয় কার্যকলাপ বেড়ে যেতে পারে। এর ফলে সাধারণত যেখানে দেখা যায় না, এমন তুলনামূলক নিম্ন অক্ষাংশেও নর্দার্ন লাইটস (অরোরা) দেখার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যদিও এখনও এই বিষয়ে নিশ্চিভাব কিছু বলা হয়নি।
এই তীব্র কার্যকলাপ রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ৫৭ মিনিট নাগাদ প্রবল আকার নেয়। সেই সময় সানস্পট X8.1 শ্রেণির একটি সৌর ঝড় সৃষ্টি করে। এটি অক্টোবর ২০২৪–এ হওয়া X9.0 সৌর ঝড়ের পর এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ।
এই বিস্ফোরণের পর পরই দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আংশিক রেডিও ব্ল্যাকআউট নথিভুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে সূর্য থেকে প্লাজমার একটি বিশাল মেঘ পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসে, যাকে বলা হয় করোনাল মাস ইজেকশন (CME)।
SWPC–এর অনুমান অনুযায়ী, এই CME ৫ ফেব্রুয়ারি পৃথিবীতে পুরোপুরি আঘাত করবে না, তবে হালকা সংঘর্ষের সম্ভাবনা রয়েছে। যদি তা ঘটে, তাহলে সূর্য থেকে আসা চার্জযুক্ত কণাগুলি পৃথিবীর চৌম্বকীয় মেরুর দিকে এগোবে এবং আকাশে উজ্জ্বল ও রঙিন অরোরা দেখা যেতে পারে।
এই সময়ে শুধু চোখ ধাঁধানো অরোরা দেখার সুযোগই তৈরি হতে পারে না, বরং রেডিও যোগাযোগে বিঘ্ন, GPS সিস্টেমে ত্রুটি এবং স্যাটেলাইটের ক্ষতির মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে নথিভুক্ত X5.1 এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী সৌর শিখা হিসেবে ধরা হচ্ছিল, কিন্তু সানস্পট ৪৩৬৬ ইতিমধ্যেই সেটিকে ছাড়িয়ে গেছে।
(Feed Source: news18.com)