
রেস্তোরাঁর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় একজন পথচারীর নজরে পড়ে গোটা বিষয়টি। দ্রুত মোবাইল বের করে প্রমাণ স্বরূপ এই কাণ্ডকারখানার ভিডিও তুলে রাখেন তিনি। জানা গিয়েছে, যে ব্যক্তি ভিডিও করেছেন, তিনি হঠাৎ দেখতে পান রেস্তোরাঁর কর্মী রান্না করা মাংস ধুয়ে রাখছে। সন্দেহ হয় তাঁর। পথচারীটি এগিয়ে গিয়ে রেস্তোরাঁর কর্মীকে জিজ্ঞেস করেছিলেন কেন তিনি একাজ করছেন? প্রথমে একপ্রকার এড়িয়ে গেলেও, পরে কর্মী জানান, এগুলো ধুয়ে রাখা হচ্ছে কারণ পরের দিন আবার রান্নায় ব্যবহার করা হবে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও আপলোড হওয়ার খানিকক্ষণের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়। স্বভাবতই ওই রেস্তোরাঁর হাইজিন সম্পর্কে প্রশ্ন করতে শুরু করেন নেটিজেনদের একটা বড় অংশ। রেস্তোরাঁর আচরণে ক্ষুব্ধ প্রায় সকলেই। The Straits Times সূত্রে জানা গিয়েছে, Negeri Sembilan Health Department – এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে ওই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর। তদন্তের পর ১৪ দিনের জন্য রেস্তোরাঁ বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে মালয়েশিয়ার Food Act 1983 অনুসারে। অন্যদিকে, Channel News Asia সূত্রে খবর, রেস্তোরাঁ মালিকের জন্য ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৩ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হয়েছে, কারণ ওই রেস্তোরাঁর ফুড সেফটি স্ট্যান্ডার্ড বজায় রাখতে সক্ষম হয়নি।
রেস্তোরাঁ বন্ধ হওয়ার তিনদিনের মাথায় তদন্তকারী দল ফের গিয়েছিল ওই জায়গায়। সব নিয়ম ঠিকভাবে মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা দেখাই ছিল তাদের উদ্দেশ্য। আগের দিন রান্না করা মাংস ওভাবে ধুয়ে রেখে দিলে এবং পরের দিন তা আবার রান্না করলে, যিনি ওই খাবার খাবেন, তাঁর মারাত্মক মাত্রা ফুড পয়েজনিং হতে পারে। সাংঘাতিক অসুস্থ হয়ে পড়তে পারেন ওই ব্যক্তি। এ যাত্রায় অবশ্য এখনও পর্যন্ত কারও মৃত্যুর কিংবা অসুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
(Feed Source: abplive.com)
