)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: এক সপ্তাহও সময় নেই, বাংলাদেশে হতে চলেছে সংসদ নির্বাচন। শেখ হাসিনা নেই, আওয়ামী লীগও নেই ভোটের ময়দানে। ফাঁকা মাঠে গোল দিতে চলেছে বিএনপি। বহু বছর পর দেশে ফিরে বিরাট জায়গা পেয়ে গিয়েছেন খালেদা জিয়া-পুত্র তারেক রহমান। তিনি এখন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়াম্যান। ফলে তাঁর কথার ওজন রয়েছে বইকি! তিনিই বলে দিলেন বিরাট কথা। তারেক এক সাক্ষাকারে জানিয়েছেন, শেখ হাসিনার সন্তানরা চাইলে দেশে ফিরে রাজনীতি করতেই পারেন। তবে মানুষকে তাদের চাইতে হবে। তারেকের ওই মন্তব্যে শোরগোল পড়ে গিয়েছে দেশে।
এক আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাতকরে তারেক রহমানকে প্রশ্ন করা হয়, শেখ হাসিনার সন্তানরা বিদেশ থেকে ফিরে রাজনীতি করতে কি পারবেন? তারেক বলেন, যদি কাউকে মানুষ গ্রহণ করে, যদি মানুষ তাঁদের স্বাগত জানায়, তাহলে যে কারো রাজনীতি করার অধিকার রয়েছে।
শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক খুনের মামলা রুজু হয়েছে। তাঁর ডিপ্লম্যাটিক পাসপোর্টও নেই। শেখ হাসিনাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে। তার পরেও শখানেক মামলা ঝুলছে তাঁর নামে। হাসিনার সন্তানরাও দেশের বাইরে রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর বিচার চলছে। এরকম অবস্থায় তাঁর ছেলে জয় বা মেয়ে দেশে ফিরে রাজনীতি করবেন এমন কথা অবান্তর শুনিয়েছে বহু মানুষের কাছে। আওয়ামী লীগ দলটারাই ভোটে লড়ার অধিকার নেই। তাহলে জয় কি দেশ ফিরে অন্য কোনও দল খুলছেন? এমন প্রশ্নও উঠছে।
উল্লেখ্য, তারেক রহমানের সহযোগীরা বলছেন, ভোটে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসনে জয়লাভের বিষয়ে বিএনপি আশাবাদী। নির্বাচনে ২৯২টি আসনে বিএনপির প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচনে বিএনপি কত আসনে জয় পেতে পারে, সে সংখ্যা বলতে চাননি তারেক রহমান। তবে তিনি বলেন, আমরা আত্মবিশ্বাসী, সরকার গঠনের জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক আসন আমাদের থাকবে।
ভোটে জিতলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি কী হবে? তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানকে টেনে তোলাই হবে প্রধান কাজ। যদি সরকারে থাকি, তাহলে তরুণদের জন্য কাজের বাজার তৈরি করতে হবে। শিল্প চাই। নতুন চাকরি সৃষ্টি করতে হবে। বাংলাদেশের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে যে-ই আমার জনগণ ও দেশের জন্য জুতসই প্রস্তাব দেবে, তাদের সঙ্গেই আমরা বন্ধুত্ব রাখব, নির্দিষ্ট কোনো দেশের সঙ্গে নয়।
(Feed Source: zeenews.com)
