Squid Game Punishment: নাটক দেখা, গান শোনার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড স্কুলপড়ুয়াদের! প্রকাশ্য রাস্তায় ফাঁসিতে ঝোলানো হল, কারণ…

Squid Game Punishment: নাটক দেখা, গান শোনার অপরাধে মৃত্যুদণ্ড স্কুলপড়ুয়াদের! প্রকাশ্য রাস্তায় ফাঁসিতে ঝোলানো হল, কারণ…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সম্প্রতি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের (Amnesty International) মতো মানবাধিকার সংগঠন এক গায়ে কাঁটা দেওয়া তথ্য সামনে এনেছে। নাটক দেখা, গান শোনার অপরাধে (schoolchildren being executed for listening to K-po) মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হচ্ছে স্কুলপড়ুয়াদের! বাকিদের শিক্ষা দিতে প্রকাশ্য রাস্তায় ফাঁসিতে ঝোলানো হচ্ছে তাদের। একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। তাতে উত্তর কোরিয়া (North Korea) থেকে পালিয়ে আসা ২৫ জনেরও বেশি ব্যক্তির ইন্টারভিউ ছাপা হয়েছে। তাঁদের জবানিতে যা উঠে এসেছে, তাতে স্তম্ভিত সকলে।

অপসংস্কৃতিতে নেশাগ্রস্ত

কে না জানে, কিম জন উনের দেশে আইনকানুন সর্বনেশে! সেখানে জনপ্রিয় ব্যান্ড BTS-এর গান শোনার ‘অপরাধে’ তিনজন স্কুল পড়ুয়াকে প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝোলানো হল উত্তর কোরিয়ায়। ১৬ থেকে ১৭ বছরের ওই ছাত্রীদের অপরাধ, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তারা বিদেশি অপসংস্কৃতিতে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল।

‘কে পপ’ ব্যান্ডের গানে

কোরিয়ান নাটক, ‘কে পপ’ ব্যান্ডের গানে বুঁদ নয়া প্রজন্ম। কোরিয়া যেতে চেয়ে গাজিয়াবাদে তিন বোনের একসঙ্গে আত্মহত্যার ঘটনা কিছুদিন আগেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে অভিভাবকদের। কোরিয়ান ড্রামা, গান শোনার অপরাধে সে দেশে স্কুল পড়ুয়াদের ফাঁসিতে ঝোলানো হচ্ছে। বাকিদের শিক্ষা দিতে ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে প্রকাশ্য রাস্তাতেই! সম্প্রতি অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতো মানবাধিকার সংগঠন এমনই গায়ে কাঁটা দেওয়া তথ্য প্রকাশ করেছে।

কিমের পুলিস

উত্তর কোরিয়ার বাসিন্দাদের উপর একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা চাপানো আছে। সে দেশের নাগরিকদের চুলের স্টাইল কেমন হবে, সেদেশের নাগরিকরা কী শুনবে-কী দেখবে– সবই ঠিক করে দেন স্বয়ং কিম জং উন। প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়া বা মার্কিন, ইউরোপীয় সংস্কৃতি– বিদেশি গান, সিনেমা, সাহিত্যের প্রবেশাধিকার নেই সেখানে। কিন্তু পেন ড্রাইভে করে প্রতিবেশী সিওলের জনপ্রিয় স্কুইড গেমের মতো সিরিজ বা বিটিএস-এর গান ব্যাপক জনপ্রিয় উত্তর কোরিয়ায়। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পালিয়ে আসা উত্তর কোরিয়ার নাগরিকরা বলেছেন, সীমান্তবর্তী ইয়াংগ্যাং গ্রামের পড়ুয়াদের প্রকাশ্যে ফাঁসি দিয়েছে কিমের পুলিস। কোনও বিচার, আইন, মানবাধিকারের ব্যাপারই নেই সেখানে। স্কুলপড়ুয়া, গ্রামবাসী, মেয়েদের নির্বিচার ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে। বাড়িতে ঢুকে হঠাৎ তল্লাশি চালাচ্ছে কিমের পুলিস।

এই ট্র্যাডিশন সমানে চলছে

২০১০ থেকে এই ট্র্যাডিশন সমানে চলছে সেখানে। চিন সীমান্তের কাছে শিনুইজু গ্রামে এই ফাঁসি দেওয়া হচ্ছে। ১৬-১৭ বছরের স্কুলছাত্রীরাও রেহাই পায় না। প্রকাশ্যে তিনজন মেয়েকে ফাঁসি দিয়ে বাকি নাগরিকদেরও শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। বার্তা– সাবধান! কেউ কোনও বিদেশি সিরিজ-সিনেমা দেখো না!

(Feed Source: zeenews.com)