Ghaziabad Case: ফ্ল্যাটে ৩ টে ঘর, তবু ৩ স্ত্রী ও ৫ সন্তানের সঙ্গে এক ঘরেই থাকতেন চেতন,কিন্তু কেন? গাজিয়াবাদে তিন বোনের রহস্যমৃত্যুতে বড় ধোঁয়াশা

Ghaziabad Case: ফ্ল্যাটে ৩ টে ঘর, তবু ৩ স্ত্রী ও ৫ সন্তানের সঙ্গে এক ঘরেই থাকতেন চেতন,কিন্তু কেন? গাজিয়াবাদে তিন বোনের রহস্যমৃত্যুতে বড় ধোঁয়াশা

উত্তরপ্রদেশে গাজ়িয়াবাদে তিন বোনের রহস্যমৃত্যুর তদন্তে নেমে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেল পুলিশ। সূত্রের খবর, তিন কিশোরীর বাবা চেতন কুমারের তিনটি বিয়ে

উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে তিন বোনের রহস্যমৃত্যুর তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর মোড়! এনডিটিভি-র প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ৩ স্ত্রী ও ৫ সন্তানের সঙ্গে একই ঘরে থাকতেন বাবা চেতন কুমার। অথচ তাঁদের ফ্ল্যাটে ছিল ৩টে কামরা! তা হলে কেন ৯ জন সদস্য একই ঘরে থাকতেন?

সূত্রের খবর, মৃত ৩ নাবালিকার বাবা চেতন কুমার গাজিয়াবাদের ভারত সিটি সোসাইটি আবাসনের একটি তিন কামরার ফ্ল্যাটে তিন স্ত্রী হিনা, টিনা ও সুজাতার সঙ্গেই থাকতেন। সঙ্গে থাকত তাঁদের ৫ সন্তান। চমকের বিষয়, ফ্ল্যাটে ৩টে বেডরুম থাকলেও, ৯ জন সদস্যই এক ঘরে শুতেন। আর এই বিষয়টিই ধন্দে ফেলেছে তদন্তকারীদের। এনডিটিভি-কে দেওয়া পুলিশের সাক্ষাৎকার থেকে জানা যায়, প্রথম স্ত্রী চেতনার সঙ্গে চেতনের ২ সন্তান। এক কন্যা ও এক পুত্র। চেতন ও সুজাতার পুত্র বিশেষভাবে সক্ষম। দ্বিতীয় স্ত্রী হিনার সঙ্গে চেতনের দুই মেয়ে। একজনের বয়স ১৪, অন্যজনের ১২। তৃতীয় স্ত্রী টিনার সঙ্গে চেতনের একটি ৩ বছরের মেয়ে আছে।

অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, জেরায় চেতন দাবি করে, সুজাতা সন্তানের জন্ম দিতে অক্ষম ছিলেন, সেই কারণেই তিনি নাকি হিনাকে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু এই দাবি সম্পূর্ণ উড়িয়ে দেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। কারণ, সুজাতা ও চেতনের মেয়ে যখন আত্মহত্যা করেন, তখন তার বয়স ছিল ১৬। এখানেই শেষ নয়। জেরায় চেতন কুমার জানায়, তিনি ২০১০ সালে সুজাতাকে বিয়ে করেন, ২০১৩ সালে হিনাকে ও ২০২৩ সালে টিনাকে। কিন্তু ‌বিবাহ বিচ্ছেদ না করেই কীভাবে ৩টে বিয়ে করলেন তিনি? উত্তরে চমকে দেন চেতন। তিনি জানান, তাঁর স্ত্রীদের কোনও আপত্তি ছিল না। তিনজনেরই সম্মতি ছিল।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর খবর অনুযায়ী, পুলিশের অনুমান, কোরিয়ান সংস্কৃতির প্রতি সন্তানেরা অতিরিক্ত আসক্ত, এই ধারণা থেকেই তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে পরে তা বিক্রি করে দেয় বাবা চেতন কুমার। এই নিয়েই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল দুই মেয়ে।

প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, কিশোরীরা বেশির ভাগ সময় কাটাতেন বাবার সঙ্গেই। সুইসাইড নোট লেখাও বাবার উদ্দেশে, সেখানে তিন মায়ের কারও নাম উল্লেখ ছিল না। পুলিশ জানিয়েছে, ঘর থেকে যে ডায়েরি উদ্ধার হয়েছে, সেখানে কোরীয় সংস্কৃতির প্রতি আকর্ষণ, ভালবাসা এবং ভাললাগার কথা উল্লেখ করা রয়েছে। একই সঙ্গে, পারিবারিক বিবাদের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

সূত্রের খবর, তিন কিশোরীর বাবা চেতন কুমারের শুধু তিনটি বিয়েই নয়, এক লিভ ইন সঙ্গীও ছিল তাঁর। যদিও ২০১৫ সালে রহস্যজনক ভাবে মৃত্যু হয় তাঁর। রাজেন্দ্রনগরের একটি আবাসনের ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যু হয়েছিল চেতনের লিভ ইন সঙ্গীর। যদিও কোনও প্রমাণ না পেয়ে পুলিশ সেই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসাবেই উল্লেখ করেছিল।

Ghaziabad Case: ফ্ল্যাটে ৩ টে ঘর, তবু ৩ স্ত্রী ও ৫ সন্তানের সঙ্গে এক ঘরেই থাকতেন চেতন,কিন্তু কেন? গাজিয়াবাদে তিন বোনের রহস্যমৃত্যুতে বড় ধোঁয়াশা

পুলিশ জানিয়েছে, লিভ ইন সঙ্গীর মৃত্যুর পর তিন মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন চেতন। তাঁরা সহোদরা। প্রথম স্ত্রী সুজাতা, দ্বিতীয় স্ত্রী হিনা এবং তৃতীয় স্ত্রী টিনা। সুজাতার কন্যার নাম নিশিকা। হিনার দুই কন্যা— প্রাচী এবং পাখি। চেতন শেয়ার লেনদেন সংক্রান্ত কাজ কাজ করেন। দু’কোটি টাকা দেনা রয়েছে তাঁর। ফলে পরিবারে আর্থিক অনটন চলছিলই। (DISCLAIMER:This news piece may be triggering. If you or someone you know needs help, call any of these helplines: Aasra (Mumbai) 022-27546669, Sneha (Chennai) 044-24640050, Sumaitri (Delhi) 011-23389090, Cooj (Goa) 0832- 2252525, Jeevan (Jamshedpur) 065-76453841, Pratheeksha (Kochi) 048-42448830, Maithri (Kochi) 0484-2540530, Roshni (Hyderabad) 040-66202000, Lifeline 033-64643267 (Kolkata))

(Feed Source: news18.com)