Kanpur Lamborghini Crash: কানপুরে ল্যাম্বরগিনি কাণ্ডে নাটকীয় মোড় ! গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামিন পেলেন তামাক ব্যবসায়ীর ছেলে শিবম

Kanpur Lamborghini Crash: কানপুরে ল্যাম্বরগিনি কাণ্ডে নাটকীয় মোড় ! গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামিন পেলেন তামাক ব্যবসায়ীর ছেলে শিবম

Kanpur Lamborghini Crash-Shivam Mishra Gets Bail: নাটকীয়ভাবে গ্রেফতারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামিন পেলেন তিনি। বৃহস্পতিবারই কানপুর আদালত পুলিশি তদন্তের ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন তুলে শিবমের জামিন মঞ্জুর করে।

গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামিন পেলেন তামাক ব্যবসায়ীর ছেলে শিবম মিশ্র

কানপুর: গাড়িচাপা দেওয়ার ঘটনার চার দিন পর গ্রেফতার হয়েছিলেন উত্তরপ্রদেশের কানপুরের একটি নামি তামাক সংস্থার কর্ণধার কেকে মিশ্রের পুত্র শিবম মিশ্র। কিন্তু নাটকীয়ভাবে গ্রেফতারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জামিন পেলেন তিনি। বৃহস্পতিবারই কানপুর আদালত পুলিশি তদন্তের ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন তুলে শিবমের জামিন মঞ্জুর করে।

বৃহস্পতিবার সকালে তাঁকে একটি হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গত ৮ ফেব্রুয়ারি কানপুরের গোয়ালটোলি এলাকায় তামাক ব্যবসায়ীকে কেকে মিশ্রের দামি ল্যাম্বরগিনি যখন ঝড়ের গতিতে আছড়ে পড়েছিল, তখন থেকেই শুরু হয়েছিল রহস্য। কখনও বাউন্সার পাঠিয়ে গাড়ির নম্বর প্লেট সরিয়ে ফেলার চেষ্টা, আবার কখনও অন্য কাউকে চালক সাজিয়ে দায় ঝেড়ে ফেলার নাটক, সবকিছুই গত চারদিন ধরে চলেছে। তবে শেষপর্যন্ত বৃহস্পতিবার সকালে কানপুর থেকেই পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন ব্যবসায়ীর ছেলে শিবম মিশ্র। কিন্তু তা খুব বেশিক্ষণ স্থায়ী হল না ৷ জামিন পেলেন তামাক ব্যবসায়ীর ছেলে শিবম মিশ্র ৷

রবিবার ব্যস্ত রাস্তায় ঢুকে পড়ে একের পর এক পথচারীকে ধাক্কা দেয় বেপরোয়া গতির ল্যাম্বরগিনি। ১০ কোটি টাকার সেই বিলাসবহুল গাড়ির ধাক্কায় হাওয়ায় ১০ ফুট উড়ে গিয়েছিলেন এক বাইক আরোহীও ! কানপুরের ভিআইপি রোডে এই ঘটনায় ছ’জন আহত হন। অভিযোগ, গাড়িটি চালাচ্ছিলেন স্থানীয় তামাক ব্যবসায়ী কেকে মিশ্রের ছেলে শিবম মিশ্র। তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করেছিল পুলিশ।

ল্যাম্বরগিনিতে চালকের আসনে কে ছিলেন? কানপুরের তামাক ব্যবসায়ী কেকে মিশ্রের পুত্র শিবম না কি তাঁর ড্রাইভার? সেই প্রশ্নও উঠেছিল ৷ কানপুরের গোয়ালটোলী এলাকায় ভিআইপি রোডের ঘটনা নিয়ে মঙ্গলবার শিবমের আইনজীবী দাবি করেন, ল্যাম্বরগিনির স্টিয়ারিং শিবমের হাতে ছিল না। গাড়ি চালাচ্ছিলেন পরিবারের এক চালক। যদিও সেই দাবি মানতে নারাজ পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান পেশ করে তাদের দাবি, গাড়ি চালাচ্ছিলেন শিবমই।

আহতদের মধ্যে তৌফিক নামে এক যুবক রয়েছেন। গাড়ির ধাক্কায় কয়েক মিটার দূরে ছিটকে পড়েছিলেন তিনি। তবে তিনিই সেই বাইক আরোহী কি না, তা এখনও জানা যায়নি। এই ঘটনার পরেই গাড়িটিকে আটকে দেন স্থানীয়েরা। অভিযোগ, ল্যাম্বরগিনিতে শিবমের দেহরক্ষীরাও ছিলেন। তাঁরা স্থানীয়দের দূরে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। শেষে পুলিশ দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই গাড়িচালক এবং অন্য আহতদের উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। বাজেয়াপ্ত করা হয় ওই ল্যাম্বরগিনি গাড়িটিকে।