Gunmen Attack: অন্ধকারে দু’শো বাইকে এলাকায় সশস্ত্র দুর্বৃত্তদল! গ্রামের পর গ্রামে বীভৎস হামলা! পাড়ায় পাড়ায় রক্তস্রোত! নারকীয়…

Gunmen Attack: অন্ধকারে দু’শো বাইকে এলাকায় সশস্ত্র দুর্বৃত্তদল! গ্রামের পর গ্রামে বীভৎস হামলা! পাড়ায় পাড়ায় রক্তস্রোত! নারকীয়…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অন্ততপক্ষে ৩২ জনের মৃত্যু (At least 32 people killed)! উত্তর-মধ্য নাইজেরিয়ায় (north-central Nigeria) হাড়হিম ঘটনা! নাইজেরিয়ায় বর্গু এলাকায় (Borgu area) তিনটি জনপদ– টুঙ্গা-মাকেরি, কনকোসো ও পিসায় ঘটল এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

এলোপাথাড়ি গুলি, আকাশে যুদ্ধবিমান 

নাইজেরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নাইজার রাজ্যে শনিবার ভোরে সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলে চড়ে তিনটি গ্রামে হামলা চালিয়ে অন্তত ৩২ জনকে হত্যা করেছে। হামলায় বহু বাড়িঘর ও দোকানপাটে আগুন দেওয়া হয় বলে স্থানীয় কর্মকর্তা ও প্রাণে বেঁচে যাওয়া বাসিন্দারা জানিয়েছেন। ভোরে এই হামলার লক্ষ্য ছিল টুঙ্গা-মাকেরি, কঙ্কোসো ও পিসা গ্রাম। হামলার সময় এলোপাথাড়ি গুলিবর্ষণ ও আকাশ যুদ্ধবিমান ওড়ার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সশস্ত্র গোষ্ঠীর তাণ্ডব

বেনিন সীমান্ত-সংলগ্ন বরগু এলাকায় এসব হামলা হচ্ছে। যাকে স্থানীয়ভাবে ডাকাত বা সশস্ত্র গোষ্ঠীর তাণ্ডব হিসেবে দেখা হচ্ছে। উত্তরাঞ্চল জুড়ে এসব গোষ্ঠী প্রাণঘাতী হামলা, মুক্তিপণের জন্য অপহরণ ও বহু মানুষকে বাস্তুচ্যুত করার জন্য দায়ী। নাইজার স্টেট পুলিসের মুখপাত্র জানান, টুঙ্গা-মাকেরি গ্রামে হামলায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, অসংখ্য মানুষকে অপহরণ করা হয়েছে। তবে এর সংখ্যা এখনও জানা যায়নি।

আগের বার ১৬২

কনকোসো গ্রামে হামলার বিষয়টি নিশ্চিত হলেও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। যৌথ নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন চলছে। অপহৃতদের উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত। উত্তর নাইজেরিয়ায় একদিকে ইসলামপন্থী জঙ্গিগোষ্ঠী, অন্যদিকে সশস্ত্র অপহরণকারী চক্র– এই দুইয়ের সমন্বয়ে জটিল নিরাপত্তা-সংকট চলছে সেখানে। চলতি মাসের শুরুতে পাশের কাওরা রাজ্যে ভয়াবহ হামলায় ১৬২ জন নিহত হয়েছিলেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ

সাম্প্রতিক মাসগুলিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার নাইজেরীয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে খ্রিষ্টানদের সুরক্ষা না দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে। যদিও হামলার শিকার হচ্ছেন খ্রিস্টান ও মুসলিম– উভয় সম্প্রদায়ের মানুষই। এই অভিযোগের পরে দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার হয়েছে।

শিরশ্ছেদ, এলোপাথাড়ি গুলি 

এক প্রত্যক্ষদর্শী বলছেন, ভোর ৬টার দিকে হামলাকারীরা গ্রামে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালাতে থাকে। জেরেমিয়া টিমোথি আরও জানান, হামলার সময় আকাশে সামরিক যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা যায়। আরেক প্রত্যক্ষদর্শী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ২০০টির বেশি মোটরসাইকেলে করে হামলাকারীরা এলাকায় ঢুকে একের পর এক গ্রামে তাণ্ডব চালায়। টুঙ্গা-মাকেরি গ্রামের বাসিন্দা আওয়াল ইব্রাহিম অবশ্য জানান, ভোর ছটা নয়, রাত প্রায় তিনটার দিকে তাঁদের গ্রামে হামলা হয়। তারা আমাদের গ্রামে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালায়, ছ’জনের শিরশ্ছেদ করে এবং আরও কয়েকজনকে হত্যা করে।

(Feed Source: zeenews.com)