
প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “দুই ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হিসেবে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব রয়েছে যা অভিন্ন ইতিহাস, সাংস্কৃতিক বন্ধন এবং শান্তি ও সমৃদ্ধিতে আমাদের জনগণের আকাঙ্খার ওপর প্রতিষ্ঠিত।” যোগাযোগ, বাণিজ্য, প্রযুক্তি, শিক্ষা, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক সম্প্রসারণের জন্য রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য উন্মুখ বলে জানিয়েছেন মোদি। এর পাশাপাশি সপরিবারে ভারতে আসার জন্য বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণও জানিয়েছেন তিনি। ‘উষ্ণ স্বাগত অপেক্ষা করছে’ বলে লিখেছেন মোদি।
প্রায় ১৮ মাসের রাজনৈতিক টালবাহানার পর নতুন অধ্যায় শুরু পড়শি দেশে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন তারেক রহমান। ভারতের তরফে তাঁর শপথ-গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লা ও বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি। বাংলাদেশের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্বের উপস্থিতিতে এদিন জাতীয় সংসদের সাউথ প্লাজায় খোলা মঞ্চে শপথ নেন খালেদা জিয়া-পুত্র। তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রেসিডেন্ট মহম্মদ সাহাবউদ্দিন।
বাংলাদেশে সদ্য সমাপ্ত সাধারণ নির্বাচনে তাঁর দল BNP-কে বিশাল জয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন তারেক। প্রধানমন্ত্রী পদে তিনিই শপথ নেবেন বলে আগেই দলের তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল। সেইমতো এদিন শপথ নেন তারেক। তবে, প্রথামতো বঙ্গভবনে নয়, সাউথ প্লাজায় শপথ-গ্রহণ অনুষ্ঠান হয় এদিন। তারেক বলেন, “আমি আইন অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দায়িত্ব বিশ্বস্ততার সঙ্গে পালন করব।” এতদিন বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার চলছিল। যার প্রধান ছিলেন মহম্মদ ইউনূস। এবার পাঁচ বছরের জন্য পূর্ণ মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী পেয়ে গেল বাংলাদেশ। এদিনই প্রথমে বিএনপির সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হন তারেক। তাঁর পাশাপাশি এদিন আরও ২৫ জন মন্ত্রী ও ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রেসিডেন্ট।
(Feed Source: abplive.com)
