
বিভিন্ন জায়গায় যুদ্ধ-জাহাজ, যুদ্ধ বিমান ও জ্বালানি ভরার জন্য ব্যবহৃত বিমান দেখা গেছে। যা ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন আক্রমণের তৎপরতা বলে অনুমান করা হচ্ছে। সিএনএন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, সপ্তাহান্তে আক্রমণ করার জন্য সামরিক বাহিনী প্রস্তুত বলে হোয়াইট হাউসকে ইতিমধ্যে জানানো হয়েছে। কিন্তু, ট্রাম্প এখনও নিশ্চিত নন যে এটাই সবথেকে সঠিক পদক্ষেপ হবে কি না। উৎস উদ্ধৃত করে সংবাদ মাধ্যমের তরফে রিপোর্ট করা হয়েছে, আমেরিকান কমান্ডার-ইন-চিফ ব্যক্তিগতভাবে সামরিক পদক্ষেপের পক্ষে এবং বিপক্ষে উভয়ই যুক্তি দিয়েছেন এবং সবথেকে উচিত পদক্ষেপের বিষয়ে উপদেষ্টা ও মিত্রদের মতামতের অপেক্ষায় রয়েছেন। যদিও এটা পরিষ্কার নয় যে, সপ্তাহান্তে এনিয়ে সিদ্ধান্ত হবে কি না। সূত্র অনুযায়ী, “এনিয়ে ভাবনা-চিন্তার পিছনে অনেকটা সময় দিচ্ছেন উনি।” প্রসঙ্গত, ট্রাম্প গত বছরই ইরানের ওপর হামলার কথা বলেছিলেন। বারবার তেহরানের বিরুদ্ধে আরও সামরিক পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন।
এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটনের ১৩টি যুদ্ধজাহাজ রয়েছে: একটি বিমানবাহী রণতরী – ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন – নয়টি ডেস্ট্রয়ার এবং তিনটি উপকূলীয় যুদ্ধজাহাজ, আরও কিছু জাহাজ পাঠানোর পথে রয়েছে।
বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী জাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড বর্তমানে আটলান্টিক মহাসাগরে ক্যারিবিয়ান থেকে মধ্যপ্রাচ্যের পথে রয়েছে, এই মাসের শুরুতে ট্রাম্পের নির্দেশে এটি সেখানে পাঠানো হয়েছে। তার সঙ্গে রয়েছে তিনটি ডেস্ট্রয়ার। মধ্যপ্রাচ্যে দু’টি মার্কিন বিমানবাহী রণতরী থাকা বিরল বিষয়। এগুলি কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান নিয়ে রয়েছে এবং হাজার হাজার ক্রু। গত বছরের জুনে ইরানের ওপর ইজরায়েলের ১২ দিনের হামলার সময় তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনা লক্ষ্য করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দু’টি বিশাল যুদ্ধজাহাজ এই অঞ্চলে ছিল। ওপেন-সোর্স ইন্টেলিজেন্স এর এক্স অ্যাকাউন্ট এবং ফ্লাইট-ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর অনুসারে, ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে বিমানের একটি বিশাল বহরও পাঠিয়েছেন।
অর্থাৎ, ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবং ছয়টি প্রধান কারণ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ট্রাম্প হয়ত শীঘ্রই এনিয়ে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে পারেন।
(Feed Source: abplive.com)
