
“বাঁকা আঙুলে ঘি তুলতে যাবেন না, চেয়ারে তো ১ থেকে ২ বছর, তারপর কী গভর্নর না রাষ্ট্রপতি, কী অফার ? নেপথ্যে কী ষড়যন্ত্র ?”
মমতা বলেন, অত্যাচার বাড়তে বাড়তে সব সীমা লঙ্ঘন করে ফেলেছে। …আজকে আমি চ্যালেঞ্জ করলাম আপনাদের মাধ্যমে (সাংবাদিক বৈঠকে) ক্ষমতা থাকলে, জেনুইন ভোটারদের বাদ দেবেন না। যে যেধর্মই বিরাজ করুক না কেন, যে রাজনৈতিক দলকেই সমর্থন করুক না কেন, একটা বিজেপি পার্টির কথা শুনে বাংলাকে যদি ধ্বংস করতে চান, তাহলে জেনে রাখবেন, কংসও কিন্তু একদিন বধ হয়েছিল। ..সোজা আঙুলে তো ঘি আপনাদের উঠছে না এত চেষ্টা করেও, বাঁকা আঙুলে ঘি তোলার চেষ্টা করছেন ? বাঁকা আঙুলে ঘি তুলতে যাবেন তো তখনই, বাঁকা আঙুলটা সোজা হয় না ?! বাঁকা আঙুলটা যদি কাজই না করে, নির্জীব হয়ে যায়, তখন কী করবেন ? ফালতু এইসব চেয়ারে একবছর, দুই বছর, তারপরে কী হবেন গর্ভনর ?নাকি রাষ্ট্রপতি ? কোন পজিশনটা চাই। কীসের টোপ, কী ষড়যন্ত্র ? ‘
“এই ৫৮ লক্ষের মধ্যে অনেক বৈধ আছে”!
তৃণমূল সুপ্রিমোর সংযোজন, ‘এসআইআরের নামে তুঘলকি-হিটলারি অত্যাচার, জাতীয় নির্বাচন কমিশন নয় টর্চার কমিশন। ভোটের আগে ভোট করানোর চেষ্টা। হরিয়ানা, মহারাষ্ট্রে একই জিনিস হয়েছে, সব কিছু চাপা থাকে না। বিহারে যে তথ্য গণ্য করা হয়েছে, পশ্চিমবাংলায় নয় কেন ? ১৪ তারিখ বেলা ৩ কেন ব্লক করা হল লগ ইন ? লক্ষাধিক বৈধ ভোটার ছিল, লগ ইন না করে তাদের সুযোগ দেওয়া হল না কেন ? তুঘলকি কমিশন এআই-এর নাম করে একজন বিজেপি কন্যা আইটি সেলের মাধ্যমে ৫৮ লক্ষের নাম বাদ দিলেন। এই ৫৮ লক্ষের মধ্যে অনেক বৈধ আছে। পুরোটাই বেআইনি, বিহারে যে তথ্য গণ্য, পশ্চিমবাংলায় কেন নয় ? সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে অমান্য করা হচ্ছে। যে ইআরওদের সাসপেন্ড করলেন, তাঁদের কাছে জানা হয়েছে তাঁদের দোষ কী ?’
(Feed Source: abplive.com)
