ISRO ex-employee murders his Wife: ‘আমি মারা গেলে কে দেখবে?’ নিজের স্ত্রীকে খুন ইসরোর প্রাক্তন কর্মীর!

ISRO ex-employee murders his Wife: ‘আমি মারা গেলে কে দেখবে?’ নিজের স্ত্রীকে খুন ইসরোর প্রাক্তন কর্মীর!

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ছেলে কিংবা মেয়ে বাইরে থাকে। শেষ বয়সে দেখার কেউ নেই। নিঃসঙ্গ জীবনে প্রবীণদের অসহায়তা যে সামাজিক ব্যধি আকার নিয়েছে, তারই প্রমাণ মিলল বেঙ্গালুরুতে। তাঁর মৃত্য়ুর পর স্ত্রীকে দেখাশোনা করবে কে? চরম দুশ্চিন্তায় শেষে স্ত্রীকে নিজেই শ্বাসরোধ করে খুন করে ফেলেন ইসরোর প্রাক্তন কর্মী!এরপর আত্মহত্যা করার ভেবেছিলেন তিনি, কিন্তু ভয়ে পিছিয়ে আসেন।

পুলিস সুত্রে খবর, অভিযুক্তের নাম নাগেশ ঈশ্বর রাও। স্ত্রী সন্ধ্যাকে নিয়ে বেঙ্গালুরুর বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড এলাকায় একটি অভিজাত আবাসনে থাকতেন তিনি। ওই দম্পতির একমাত্র মেয়ে আমেরিকা নিবাসী। নাগেশ তখন ফ্ল্যাটেই ছিলেন।  বুধবার সকালে ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় তাঁর স্ত্রীর দেহ। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান, ষাটোর্ধ্ব ওই মহিলাকে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। খুনের অভিযোগে নাগেশকেই গ্রেফতার করেছে পুলিস।

জানা গিয়েছে, ওই প্রৌঢ় নিজেই এক পরিচিতকে ফোন করে খুনের কথা জানান। সেখান থেকে খবর পৌঁছয় থানায়। এরপর পুলিস এসে ফ্ল্যাট থেকে দেহ উদ্ধার করে।  পুলিস সূত্রে খবর, রান্নাঘরে স্ত্রী যখন দুপুরের খাবার তৈরি করছিলেন, তখন নাগেশ পিছন থেকে তোয়ালে দিয়ে মুখ চেপে ধরেন। এমনকী, স্ত্রী মৃত্যুর  মিনিট কুড়ি দেহের পাশেই বসেছিলেন তিনি। এরপর এক প্রতিবেশীকে জানান যে, স্ত্রীকে মেরে ফেলেছি। তিনি প্রথমে ভেবেছিলেন হয়তো রসিকতা করছেন ওই প্রৌঢ়। কিন্ত বারবার একই কথা বলায় ফ্ল্য়াটে ছুটে আসেন তিনি।

কেন এমন কাণ্ড ঘটালেন? পুলিস জানিয়েছে, ইসরো থেকে টিম লিডার হিসেবে অবসর নিয়েছেন নাগেশ। জেরায় ধৃতের দাবি, তিনি মারা গেলে স্ত্রীর কী হবে, এই নিয়ে সর্বক্ষণ চিন্তা করতেন। সেকারণেই স্ত্রীকে খুন করেছেন নিজেই। ওই দম্পতি আদতে অন্ধপ্রদেশের বাসিন্দা। বছর তিনেক আগে বেঙ্গালুরু ফ্ল্যাট কিনে থাকতে শুরু করেন তাঁরা।

এদিকে খবর পেয়ে আমেরিকা থেকে বেঙ্গালুরুর উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন ওই দম্পতির একমাত্র মেয়ে। বেঙ্গালুরুর হোয়াইটফিল্ড এলাকায় ডেপুটি পুলিস কমিশনার জানিয়েছেন, নাগেশ প্রায় বিষন্ন ও ভারাক্রান্ত থাকতেন। সবসময়ই কী যেন চিন্তা করতেন। তাঁর চিকিত্‍সাও চলছিল। বস্তুত, তিনি এর আগেও বেশ কয়েকবার আত্মহত্যা চেষ্টা করেছেন বলেও খবর।

এর আগে, হরিয়ানার ভ্যালেন্টাইন ডে-তে স্বামীর হাতে খুন হতে হয় স্ত্রীকে! অভিযোগ, সেদিন ডিনার করার পরই গ্লাভস পরে স্ত্রী গলা ফেলেন  চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট স্বামী।  ডাকাতির নাটক সাজিয়েও কোনও কাজ হল না। পুলিসের জেরায় ভেঙে পড়ল অভিযুক্ত।

সদ্য বিয়ে করেছিলেন অনশুল ধাওয়ান ও মেহেক। বিয়ের বছর ঘোরার আগেই ঘটে গেল ভয়ংকর কাণ্ড! পুলিস সূত্রে খবর, রবিবার রাত ১১টা নাগাদ থানায় ফোন করে অনশুল জানান, বাড়ি ঢুকে তাঁর স্ত্রীকে গলা কেটে দিয়ে চলে গিয়েছে কয়েকজন ডাকাত। কিন্তু অনশুল কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। তাতেই সন্দেহ হয় পুলিসের। এরপর তখন তাঁকে জেরা করতে শুরু করে তদন্তকারীরা, তখনই বেরিয়ে আসে আসল সত্য।

(Feed Source: zeenews.com)