
একে তো বিশাল আয়তন, তার ওপর কলকবজাও আলাদা। পথের বুক চিরে কিছুটা যায় ঠিকই, কিন্তু তার পরে এক ধাক্কায় সোজা চলে যায় আকাশে। নামার সময়ে ব্যাপারটা আরও কঠিন, শক্ত হাতে তখন রাশ ধরে রাখতে হয় গতির। সেই কারণেই প্লেন নামার জন্য আলাদা পাঁচিলঘেরা জায়গা বরাদ্দ করা হয়। তবে দরকারে যে রানওয়ের ভূমিকা নিতে পারে হাইওয়ে, সে কথা সম্প্রতি প্রমাণ করে দিল সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল হওয়া এক ভিডিও (Viral Video)।
এতক্ষণে বুঝে নিতে অসুবিধে নেই যে ভিডিওটা প্লেন সংক্রান্তই, একটু স্পষ্ট করে বললে প্লেন ল্যান্ড করার ভিডিও। Louie Tran নামের এক সাংবাদিকের ট্যুইটার (Twiiter) হ্যান্ডেল থেকে সেটি শেয়ার করা হয়েছে। @louietran-এর সেই ভিডিও বলছে যে এটি আদতে সোয়াইন কান্ট্রি শেরিফের অফিস থেকে রিলিজ করা হয়েছিল। নর্থ ক্যারোলিনার ব্লু রিজ পর্বত উপত্যকার মাঝখান দিয়ে চলে গিয়ে যে হাইওয়ে, সেখানে আপৎকালীন প্লেন ল্যান্ডিংয়ের ভিডিও ফুটেজ এটি।
The Swain County Sheriff’s Office released this video Thursday taken by a pilot of a harrowing emergency landing on a highway in the Blue Ridge Mountains in North Carolina. pic.twitter.com/dsgjqBtHJy
— Louie Tran (@louie_tran) July 8, 2022
জানা গিয়েছে, যে পাইলট এই অসাধ্যসাধন করেছেন, তাঁর নাম ভিনসেন্ট। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ভিনসেন্ট জানিয়েছেন যে উড়ানের পরে প্লেনের ইঞ্জিন কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছিল। তিনি স্টেশনে রিপোর্ট করলে তাঁকে হাইওয়েতে জরুরি অবতরণের অনুমতি দেওয়া হয়।
কাজটা শুনতে যেমন সহজ নয়, বাস্তব তার চেয়েও কঠিন। হাইওয়ের দু’দিকেই গাড়ি চলাচল- তার মাঝে ভিনসেন্ট কী করে প্লেন নামালেন? কী করে এড়িয়ে গেলেন হাইওয়ে দিয়ে মুখোমুখি ছুটে আসা গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ? প্লেনের উইং ক্যামেরায় তোলা এই ভিডিও ফুটেজ হোক না স্বল্পদৈর্ঘ্যের, চিরকালের জন্য তা মনে শিহরণ জাগাবে। অনুভব করা যাবে পাইলটের দক্ষতা।
ভিডিওটি প্রথমে যখন ফেসবুকে (Facebook) আপলোড করা হয়েছিল, তখন তা ৭ লক্ষেরও বেশি ভিউ পেয়েছিল। তার পরে নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে এটি শেয়ার করেন সাংবাদিক ট্রান। এমন ঘটনার সাক্ষী থাকা বিরল অভিজ্ঞতা, ফলে ট্রানের শেয়ার করা ট্যুইট ভিডিওটিও হাজার হাজার বার দেখেছেন সোশ্যাল মিডিয়ার ইউজাররা।
