)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মালয়েশিয়ার সাবাহ’র উপকূলে ৭ .১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প (Earthquake in Malaysia) আঘাত হেনেছে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিকেরা এই খবর জানিয়েছেন। মালয়েশিয়ার সাবাহ রাজ্যটি বোর্নিও দ্বীপে (Malaysia’s Sabah state on Borneo island) অবস্থিত। রবিবার রাত ১২টা ৫৭ মিনিটে ভূমিকম্পটি (U.S. seismologists) আঘাত হানে বলে জানা গিয়েছে।
কোটা কিনাবালু থেকে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক সমীক্ষা সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল উপকূলীয় সাবাহ রাজ্যের রাজধানী কোটা কিনাবালু থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ৬১৯.৮ কিলোমিটার।
গভীর রাতে
ভূমিকম্পটি স্থানীয় সময় রাত ১২:৫৭ মিনিটে (জিএমটি রবিবার ১৬:৫৭) সংঘটিত হয়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল উপকূলীয় প্রাদেশিক রাজধানী কোটা কিনাবালু (Kota Kinabalu) থেকে ১০০ কিলোমিটারেরও কম উত্তর-পূর্বে। ভূমিকম্পটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬১৯.৮ কিলোমিটার গভীরে উৎপন্ন হয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতি সুনামি
ভূমিকম্পটি অনেক গভীরে হওয়ায় এর ফলে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছে USGS। মার্কিন সুনামি সতর্কীকরণ কেন্দ্র কোনো সুনামির সতর্কতা জারি করেনি। কারণ অতিরিক্ত গভীরতার কারণে সুনামি সৃষ্টির আশঙ্কা নেই।
৬.৮ মাত্রা
মালয়েশিয়ার আবহাওয়া বিভাগ এই ভূমিকম্পের মাত্রা ৬.৮ বলে জানিয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে খবর। সাবাহর পশ্চিম উপকূল এবং সারাওয়াক প্রদেশের বেশ কিছু এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।
আতঙ্ক
কম্পনটি প্রায় ১০ সেকেন্ড স্থায়ী ছিল। কোটা কিনাবালুর বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কম্পনের ফলে সিলিং ফ্যান এবং আসবাবপত্র প্রবলভাবে কেঁপে ওঠে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
‘রিং অফ ফায়ার’
মালয়েশিয়ার সাবাহ প্রশান্ত মহাসাগরীয় ‘রিং অফ ফায়ার’-এর কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় এটি একটি ভূমিকম্প প্রবণ অঞ্চল। এর আগে ২০১৫ সালে সাবাহর রানউতে ৬.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। এবারের ভূমিকম্পটি অনেক বেশি শক্তিশালী হলেও এর গভীরতা বেশি হওয়ায় বড় বিপদ এড়ানো গিয়েছে।
(Feed Source: zeenews.com)
