Ayatollah Ali Khamenei: তেহরানে মোতাহারি কমপ্লেক্সে ১০০ মুজাহিদিনের ভয়ংকর হামলা, নিহত আয়াতোল্লাহ খামেইনি…

Ayatollah Ali Khamenei: তেহরানে মোতাহারি কমপ্লেক্সে ১০০ মুজাহিদিনের ভয়ংকর হামলা, নিহত আয়াতোল্লাহ খামেইনি…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নিহত হয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই? দেশের একটি গোষ্ঠীর দাবি  প্রায় ১০০ বন্দুকবার খামেইনির প্রাসাদে হামলা চালায়। ওই অভিযানে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এনিয়েই শুরু হয়েছে বিস্তর জল্পনা।

ইরানের পিপলস মুজাহেদিন অর্গানাইজেশন (পিএমওআই/এমইকে) দাবি করেছে, তারা সোমবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইর একটি কমপ্লেক্সে সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে। মোতাহারি কমপ্লেক্সে রয়েছে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানএবং খামেনির বাসভবনও রয়েছে সেখানেই হামলার লক্ষ্য ছিল। সংগঠনটি আরও জানিয়েছে, এই অভিযানে তাদের ১০০ জনের বেশি সদস্য অংশ নিয়েছিলেন। তাদের দাবি, এতে “শাসক পক্ষের ব্যাপক হতাহতের” ঘটনা ঘটেছে এবং তাদের নিজেদের পক্ষেও উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এই দাবির পক্ষে স্বাধীনভাবে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক বড় কোনো গণমাধ্যমও ঘটনাটি যাচাই করে নিশ্চিত করেনি।

বিরোধী গোষ্ঠীটির সমর্থকেরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু পোস্ট করেছে। যেখানে কমপ্লেক্সের আশপাশে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির কথা বলা হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সের ছোটাছুটি, বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং সাইবার হামলার অভিযোগের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, ওই সাইবার হামলার মাধ্যমে অল্প সময়ের জন্য খামেনেইবিরোধী বার্তা প্রচার করা হয়।

ওইসব দাবির পরেও, ইরানের সরকারি মিডিয়া এনিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জারি করেনি। পর্যবেক্ষকদের সন্দেহ, এমইক-এর অথীতে বিভিন্ন সাহসী হামলার ইতিহাস রয়েছে। তবে অনলাইনে এমনসব খবর ছড়ানো হয়েছে সেখানে দাবি করা হচ্ছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত বা গুরুতর আহত হয়েছেন।

এমইকে বা পিপলস মুজাহেদিন অর্গানাইজেশন, ইরানের প্রধান বিরোধী দলগুলোর মধ্যে একটি, যা ইরানের বাইরে থেকে কাজ করে। গোষ্ঠীটি ১৯৬৫ সালে ইরানে প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরুতে তারা শাসক শাহ পল্লভী রাজবংশের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে।  ১৯৭০-এর দশকে শাহ সরকারের এবং মার্কিন লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে বোমা হামলা চালিয়েছে। ১৯৭৮–১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লবের সময় তারা আয়াতোল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেইনীর পাশে দাঁড়ায়।

কিন্তু বিপ্লবের পর তেহরানের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে তাদের মতবিরোধ হয় এবং গোষ্ঠীটি নিষিদ্ধ হয়ে যায়। এরপর তারা নির্বাসনে চলে যায় এবং সেখানে থেকে ইরানি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মিডিয়া রিপোর্টে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের কাছে পেন্টাগন ইরান সম্পর্কিত সম্ভাব্য সামরিক বিকল্পগুলি তুলে ধরেছিল। ওইসব বিকল্পের মধ্যে রয়েছে খামেইনি এবং তার ছেলে মোজতবা খামেনেইকে হত্যা করা।

(Feed Source: zeenews.com)