
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দোল (Dol Yatra 2026) কবে? এবার আলাদা-আলাদা দিনেই পালিত হবে রঙের উৎসব (Colour Festival 2026)। হ্যাঁ, দেশের অন্যান্য প্রান্তে যখন পালিত হবে হোলি তখন বঙ্গবাসী হয়তো ধুয়ে ফেলেছে গায়ের রং। কেননা, দুদিনে দুটি উৎসব। তবে সাধারণ মানুষের বিভ্রান্তি কমেনি। সকলেই জানতে আগ্রহী, এ বছর কবে দোল? হোলি কবে? দোলের ছুটি (Holi Holiday)কবে পড়ছে?
ন্যাড়াপোড়া
কিছুদিনের মধ্যেই দেশ জুড়ে উদযাপিত হবে রং-উৎসব। হিসেব অনুসারে, হোলিকা দহন অর্থাৎ, বাংলায় যাকে বলে, ন্যাড়াপোড়া, সেটা হবে ২ মার্চ।
দোল, হোলি
এর তার ঠিক পরদিন পালিত হয় দোল উৎসব। সাধারণত ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমার দিন রং খেলা হয়। বাঙালিরা এই দিনটিকে দোল পূর্ণিমা হিসেবে পালন করেন। এ বছর দোল পালিত হবে ৩ মার্চ, মঙ্গলবার। আর হোলি ৪ মার্চ, বুধবার। পশ্চিমবঙ্গে দোলের সরকারি ছুটি মঙ্গলবারই, দোলের দিন, মানে ৩ মার্চ।
পূর্ণিমা তিথি
২ মার্চ সোমবার সন্ধে ৫/৪২ মিনিটে পূর্ণিমা তিথি শুরু, পরদিন ৩ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল ৪/৫৭ মিনিট পর্যন্ত থাকবে পূর্ণিমা।
দোলে চন্দ্রগ্রহণ
এবার ওই দিনই আবার চন্দ্রগ্রহণ। ৩ মার্চ মঙ্গলবার ফাল্গুনী পূর্ণিমা তিথি। সেই কারণ ভারতীয় সময় অনুসারে ৩ মার্চ দুপুর ৩টে ২০ মিনিটে চন্দ্রগ্রহণ শুরু। গ্রহণ চলবে সন্ধে ৬টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত। মোট ৩ ঘণ্টা ২৭ মিনিট ধরে এই গ্রহণ চলবে। পশ্চিমবঙ্গ, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, অসম এবং অরুণাচল প্রদেশ থেকে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে।
রং তাৎপর্য
রং উৎসব তথা হোলি নিয়ে বরাবরই মানুষের বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা থাকে। দোল একই সঙ্গে ধর্ম ও সংস্কৃতিতে জুড়ে দেয়। জুড়ে দেয় লোকজীবনকেও। দোল পূর্ণিমাকে হিন্দুধর্মে খুবই শুভ তিথি মনে করা হয়। দিনটি শ্রীচৈতন্যের আবির্ভাবদিবসও। এদিন রাধাকৃষ্ণের পুজো করা হয়। বৈষ্ণববিশ্বাসে দোলপূর্ণিমার দিনে মথুরা-বৃন্দাবন অঞ্চলে পালিত হয় নানা রকম দোল। এছাড়াও দোলে বাঙালির মনে পড়ে তার প্রিয় কবিকে। শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথ শুরু করেছিলেন বসন্ত উৎসব। ধর্মীয় অনুষঙ্গমুক্ত মানুষের মিলন-উৎসব তা, রঙে-রঙে নৃত্যে-গীতে কবিতায় প্রকৃতির মুখোমুখি দাঁড়িয়ে জীবনের আনন্দ-মুহূর্ত যাপন। এর আবেগও ছুঁয়ে যায় বাঙালিকে এদিন।
(Feed Source: zeenews.com)
