Dharmendra Pradhan on NCERT Textbook Row: ‘বিচারব্যবস্থার প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা’, পাঠ্যপুস্তকে আদালত অবমাননা বিতর্কে দুঃখপ্রকাশ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের।
‘বিচারব্যবস্থার প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা’, পাঠ্যপুস্তকে আদালত অবমাননা বিতর্কে দুঃখপ্রকাশ কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর
নয়াদিল্লি: অষ্টম শ্রেণীর সোশ্যাল সায়েন্সের পাঠ্যবইয়ে ‘জুডিশিয়াল কোরাপশন’ অর্থাৎ, বিচারবিভাগীয় দুর্নীতির উল্লেখ থাকা নিয়ে বৃহস্পতিবারও NCERT-র তুমুল সমালোচনা করে সুপ্রিম কোর্ট৷ সেই বিতর্কে এবার প্রথম মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান।
ঘটনা নিয়ে দুঃখপ্রকাশ করে যথাযথ পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী। সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, শিক্ষামন্ত্রী এনসিআরইটি-র বই বিতর্ক নিয়ে গভীর দুঃখপ্রকাশ করেন। বলেন, ”বিচারব্যবস্থার প্রতি আমাদের অগাধ শ্রদ্ধা এবং সম্মান রয়েছে। কোনও ভাবেই কোনও অসম্মান হোক, এমন অভিপ্রায় নেই আমাদের। এ বিষয়ে শীর্ষ আদালত যা নির্দেশ দিয়েছে, তা মেনেই পদক্ষেপ করা হবে।”
পাশাপাশি, এ বিষয়ে সংস্থার কাছ থেকে জবাবদিহি চাওয়া হয়েছে শীর্ষ আদালতের তরফে৷ কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে NCERT-র ওই পাঠ্যপুস্তকের অধ্যায়টি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত৷ এবার থেকে ওই পাঠপুস্তকের ওই অধ্যায়টি আর ছাপা, পুনর্মুদ্রণ করা বা ডিজিটাল প্রিন্ট করা যাবে না৷
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন ওই অধ্যায় রয়েছে এমন সবক’টি বই ‘বাজেয়াপ্ত’ করতে হবে এবং পাশাপাশি, স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে, কেউ যদি ওই বইয়ের কপি কারওকে দেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ এসবের পাশাপাশি, NCERT চেয়ারম্যান প্রফেসর দীনেশ প্রসাদ সাকলানির এবং স্কুল শিক্ষার সচিবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷
বুধবার এনসিইআরটি-র পাঠ্যপুস্তকে বিশেষ শব্দবন্ধের ব্যবহার নিয়ে চূড়ান্ত কড়া প্রতিক্রিয়া জানান সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত৷ এনসিইআরটি-র অষ্টম শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে ‘judicial corruption’ অর্থাৎ, বিচার বিভাগীয় দুর্নীতি শব্দবন্ধের ব্যবহারের সমালোচনা করে শীর্ষ আদালত। বুধবার আইনজীবী কপিল সিব্বল এবং অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি এনসিইআরটি-র অষ্টম শ্রেণির সমাজবিজ্ঞানের বইয়ের ‘সমাজে বিচারব্যবস্থার ভূমিকা’ অধ্যায়ের প্রসঙ্গটি শীর্ষ আদালতে পেশ করেন। আর তা শুনেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত।