Mamata Banerjee in Supreme Court: বিগ বিগ আপডেট! SIR-মামলায় ফের সুপ্রিম কোর্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়…

Mamata Banerjee in Supreme Court: বিগ বিগ আপডেট! SIR-মামলায় ফের সুপ্রিম কোর্টে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়…

অর্ণবাংশু নিয়োগী, রাজীব চক্রবর্তী: SIR মামলায় ফের সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) দ্বারস্থ রাজ্য। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta HC) প্রধান বিচারপতিকে না জানিয়ে জুডিশিয়াল অফিসারদের জন্য নির্দেশিকা জারি করছে নির্বাচন কমিশন– দাবি কপিল সিব্বলের। রাজ্যের পক্ষে কপিল সিব্বল অভিযোগ করেন, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করেই কমিশন নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে।

কী পর্যবেক্ষণ সিব্বলের?

কোন নথি গ্রহণ করতে হবে, আর কোনটা করতে হবে না– সেই সংক্রান্ত নির্দেশ দিচ্ছে কমিশন, জানালেন কপিল সিব্বল।
SDOদের দেওয়া ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে বারণ করা হচ্ছে, যোগ করেন সিব্বল।

কোর্ট কী বলছে?

প্রতিদিন এভাবে আদালতের এলে তো আমাদের পক্ষে মুশকিল, মন্তব্য প্রধান বিচারপতির। জুডিশিয়াল অফিসারদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে কমিশন, মন্তব্য সিব্বলের। কমিশন প্রশিক্ষণ না দিলে কে দেবে? পাল্টা প্রশ্ন বিচারপতি বাগচীর। ‘আমাদের নির্দেশ খুব স্পষ্ট। বিচারকরা জানেন যে, তাঁদের কী করতে হবে।’ জানান প্রধান বিচারপতি।

‘পিছনের দরজা দিয়ে’

প্রসঙ্গত, রাজ্যের পক্ষে কপিল সিবাল অভিযোগ করেন, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করেই কমিশন নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের নিয়ে সন্দেহের অবসান হওয়া উচিত। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানান, প্রশিক্ষণের দায়িত্ব কমিশনেরই। কোন কোন নথি গ্রহণযোগ্য, সে বিষয়ে আদালতের নির্দেশ পরিষ্কার, তা এড়ানো যাবে না। ডোমিসাইল শংসাপত্র গ্রহণ না করার অভিযোগ তোলেন সিব্বল। জবাবে আদালত জানায়, নির্দেশে উল্লেখ থাকলে সেই নথি অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে। পাশাপাশি ‘পিছনের দরজা দিয়ে’ প্রশিক্ষণের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হবে বলে ইঙ্গিত দেয় বেঞ্চ।

আজ দিলীপ ঘোষ

এদিকে আজ, শুক্রবার সকালেই দিলীপ ঘোষের এসআইআর সংক্রান্ত কিছু মন্তব্য হাওয়া গরম করে তুলেছে। কী বলেছেন দিলীপ? কত নাম কাল বাদ যেতে চলেছে আগামীকাল? দিলীপ বলেন, ১ কোটির বেশি আমরা আন্দাজ করেছিলাম। পরিস্থিতি সেই দিকেই যাচ্ছে। আগে ৫৮ লক্ষ। তারপর শুনানিতে ডাক পেয়ে আসেননি অনেকে। লজিক্যাল ডিসক্রিপেনসি ধরলে আরও ৩৫ লক্ষ। দিলীপকে প্রশ্ন করা হয়, মুখ্যমন্ত্রী আশঙ্কা করেছেন, ১ কোটি ২০ লক্ষ। আপনার টোটাল ক্যালকুলেশন কত? দিলীপ জানান, আমরা অনুমান করছি, দেড় কোটি নাম বাদ যেতে পারে। এই নাম বাঁচানোর জন্য তৃণমূল শুরু থেকে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গিয়েছে। বিষয়টাকে গুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। কমিশন বিরক্ত হয়ে যাতে SIR বন্ধ করে দেয়, সেই চেষ্টাও হয়েছে। ওদের সেই আশা পূরণ হয়নি। কোর্টে দৌড়েছিলেন, সেখানেও সুবিধা হয়নি। ১ থেকে দেড় কোটি বাদ গেলে বেনিফিট কাদের? তৃণমূল না বিজেপি? বিরোধী পক্ষই পাবে। তৃণমূলের বড় বড় নেতাদের এলাকায় ৭০ হাজার করে নাম বাদ গিয়েছে। মানে, প্রায় ২০ শতাংশ। মানে, ২০ থেকে ২৫ শতাংশ নাম যদি বাদ যায়, আপনি বুঝে দেখুন, যাঁরা এতদিন জিতে এসেছেন, তাঁরা কাদের ভোটে জিতেছেন। ফলে, সমস্যা বাড়বে ওদের। তাই SIR শুরু হতেই ওরা বন্ধ করতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কমিশন সূত্রে খবর প্রায় ৭ কোটি ৮ লক্ষ ভোটারের নাম থাকবে। এর মধ্যে শুনানিতে ডাক পেয়েছেন, এমন ভোটারের কিছু নাম থাকছে। অর্থাৎ, প্রথম তালিকায় নাম থেকে যাবে, কিন্তু পরে সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় তা বাদ যেতে পারে। এতে বিভ্রান্তি বাড়বে না? ৫৮ লক্ষ অলরেডি বাদ। তারপর আবার দেড় কোটি লোককে শুনানির নোটিস দেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে ৫০ লক্ষ লোক অনুপস্থিত। মানে, ১ কোটির বেশি নাম তো বাদ যাবেই। আবার, তার পর প্রায় ৩৫ লক্ষ নাম লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে আছে। তার মধ্যেও বেশ কিছু নাম বাদ যেতে পারে।

(Feed Source: zeenews.com)