উজবেকিস্তান থেকে কিকবক্সিংয়ে রুপো আনলেন বেহালার ছেলে ঈশান দাস

উজবেকিস্তান থেকে কিকবক্সিংয়ে রুপো আনলেন বেহালার ছেলে ঈশান দাস

#কলকাতা: আন্তর্জাতিক কিকবক্সিংয়ের মঞ্চে ভারত তথা বাংলার নাম উজ্জ্বল করলেন ঈশান দাস। উজবেকিস্তান ওপেন টুর্নামেন্ট থেকে রুপোর মেডেল জিতে আনলেন তিনি। বেহালার বাসিন্দা ঈশান দাস ছোটো থেকে মার্শাল আর্টের সংস্পর্শে ছিলেন না। ২২ বছর বয়স থেকে তিনি প্রশিক্ষন শুরু করেন। খুব কম সময়ের মধ্যেই কিক বক্সিংয়ে দক্ষতা লাভ করলেন ঈশান দাস।

ছোট থেকে প্রশিক্ষন না নিলেও হলিউড এবং অ্যাকশন সিনেমা দেখে বড় হয়েছেন তিনি। ব্রুস লি, জ্যাকি চ্যানের অন্ধভক্ত ছিলেন। তাদের কলাকুশলী, দক্ষতা ইত্যাদী আকর্ষণ করে ঈশানকে। মধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে ওঠা ঈশান সুযোগ পাওযা মাত্রই মার্শাল আর্ট শিখতে ভর্তি হয়ে যান। আজকের দিনে দাড়িয়ে তিনি উজবেকিস্তান থেকে রুপো জিতে এনে তার দেশ, রাজ্য এবং পরিবারকে গৌরবান্বিত করেন।

রুপো জিতলেও সোনা জিততে পারেননি বলে তার আক্ষেপ আছে। ম্যাচের পর সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই দুঃখের কথা জানান। তিনি বললেন উজবেকিস্তান থেকে রুপো জিতে এনে এবং বাংলার নাম আন্তর্জাতিক মঞ্চে উজ্জ্বল করে তিনি গর্ববোধ করছেন; আবার দুঃখও পেয়েছেন একটুর জন্য স্বর্ণপদক হাতছাড়া হওয়ায়।

২৯ বছর বয়সী ঈশান বাকি দশ জনের মতো ১০টা ৫টার কর্পোরেট চাকরি করতে রাজি নন। মার্শাল আর্ট তার ভালোবাসা, এত কম সময়ের মধ্যেই তিনি এই পর্যায়ে দক্ষতা অর্জন করেছেন। তার বাকি জীবনটা মার্শাল আর্ট নিয়েই কাটাতে চান ঈশান। তিনি সেভাবেই তার জীবনের লক্ষ্য স্থির করে নিয়েছেন।

এখন তিনি নিজেকে আরও সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চান কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে। শুধু তাই নয় তিনি আগামী প্রজন্মের ফাইটারদের উদ্বুদ্ধ করতে চান, তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে আন্তর্জাতিক মানে তৈরি করতে চান। মোট কথা তিনি তার বাকি জীবনটা ভারতের কিকবক্সিংকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যেতে চান।

ফেদারওয়েট এই কিক বক্সার কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে থাকেন। সপ্তাহে ৬ দিন ট্রেনিং করেন একদিন বিশ্রাম। নিয়মিত কোর ট্রেনিং, কার্ডিও এবং মাসল বিল্ডিংও করেন বক্সিং প্রশিক্ষণের পাশাপশি।

Published by:Rohan Chowdhury

(Source: news18.com)