
সৌদি আরবের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে আমেরিকা
আমেরিকার এখন অপেক্ষা ও দেখার নীতি রয়েছে পদত্যাগের মাধ্যমে এটি ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য রিয়াদের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে। সৌদি আরব ও ইসরায়েলের বৈঠক ইরানের জন্য একটি কূটনৈতিক পরাজয় হবে। এই জোটের মাধ্যমে আমেরিকা পুরো অঞ্চলকে একটি অবরোধে পরিণত করবে যেখানে ইরান চাইলেও আর মাথা তুলতে পারবে না। এতে মধ্যপ্রাচ্যে সমগ্র ইসলামি শাসনের সমীকরণ বদলে যাবে। এতে ইরান সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।
পারমাণবিক ঘাঁটি ভেঙে ফেলার প্রস্তুতি
ইসরায়েল ও আমেরিকা বাইরে থেকে ইরানকে আক্রমণ করেছে। কিন্তু নিজের দেশে এর চেয়েও বড় আক্রমণের মুখে পড়েছেন তিনি। প্রকৃতপক্ষে, ইরান আজকাল নেতৃত্বের সংকট এবং অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের সাথে লড়াই করছে। এমতাবস্থায় ইসরায়েলের হামলা সামরিক বাহিনীর চেয়ে কৌশলগত হবে। ইসরায়েলের লক্ষ্য আর শুধু সীমান্ত নয়, নাতাঞ্জ এবং ফোর্ডের মতো পারমাণবিক কেন্দ্র হবে। ইরানের কয়েক দশকের পরিশ্রমকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করার এই সুযোগকে কাজে লাগাবে ইসরাইল, যাতে ভবিষ্যতে যেকোনো বড় সংকট এড়ানো যায়।
হিজবুল্লাহ, হামাস ও হুথির মতো সংগঠনগুলো এতিম হয়ে যাচ্ছে।
খামেনির মৃত্যুর পর, হিজবুল্লাহ, হামাস এবং হুথিদের তহবিল এবং আদর্শিক অক্সিজেনের সরবরাহ লাইন কেটে দেওয়া হবে। সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশনা ছাড়া এসব সংগঠন দলাদলিতে জড়িয়ে পড়তে পারে। লেবানন থেকে গাজা এবং ইয়েমেন পর্যন্ত এই সংগঠনগুলোকে মূলোৎপাটন করার জন্য এটাই হবে ইসরায়েলের জন্য নিখুঁত এবং শেষ সুযোগ। তার ফলও আসতে শুরু করেছে। ইসরাইল লেবাননের রাজধানী বৈরুতে হামলা চালিয়ে হিজবুল্লাহর অবস্থান লক্ষ্য করে।
বেইজিং এবং মস্কোর জন্য দরজা বন্ধ থাকবে
চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের সুসম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হয়। এমতাবস্থায় আমেরিকার সবচেয়ে বড় চিন্তা রাশিয়া বা চীনের প্রবেশ। আমেরিকার কৌশল হবে এখন তেহরানে এমন একটি ব্যবস্থা চাপিয়ে দেওয়া যা শুধু বেইজিংয়ের প্রভাবই বন্ধ করবে না, রাশিয়ার দক্ষিণ ফ্রন্টকেও দুর্বল করে দেবে। ইরান ভাঙার পর একে নিয়ন্ত্রণ করা আমেরিকার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হয়ে দাঁড়াবে বিশ্ব সুপার পাওয়ার।
(Feed Source: ndtv.com)
