তেহরানে ইরানের বিমানকে গুলি করে নামাল ইজরায়েলের ফাইটার জেট এফ-৩৫

তেহরানে ইরানের বিমানকে গুলি করে নামাল ইজরায়েলের ফাইটার জেট এফ-৩৫
Iran Israel War: ইজরায়েলের বায়ুসেনাবাহিনীর এফ-৩৫ ফাইটার জেট সম্প্রতি তেহরানে একটি ইরানের বিমানকে গুলি করে মাটিতে নামিয়েছে বলে দাবি করেছে ইজরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ইরানের ওই বিমানটি রাশিয়ার তৈরি বলে জানা গিয়েছে। Iranian Yak-130 জেট- কে গুলি করে নামিয়েছে ইজরায়েলের বায়ুসেনার এফ-৩৫ ফাইটার জেট। বলা হচ্ছে, এই প্রথম ইজরায়েলের ফাইটার জেট এফ-৩৫ কোনও যাত্রীবাহী বিমানকে গুলি করে নামিয়েছে। বিগত ৪০ বছরে এই প্রথমবার ইজরায়েলের বায়ুসেনাবাহিনীর কোনও যুদ্ধবিমান একটি মানুষবাহী বিমানের সঙ্গে আকাশপথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

গত শনিবার থেকে উত্তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। আমেরিকা এবং ইজরায়েল যৌথ ভাবে হামলা চালায় ইরানে। নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা আলি খামেনেই। তাঁর স্ত্রী, কন্যা, জামাই এবং নাতনিরও মৃত্যু হয়েছে এই হামলায়। তেহরানে যে কম্পাউন্ডে খামেনেই ছিলেন, সেটি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। সেখানেই খামেনেইয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এরপর থেকেই ফুঁসছে ইরান। খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরই ইরান হুঙ্কার দিয়েছিল প্রতিশোধ নেওয়ার। পাল্টা ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন ইরান হামলা করলে, প্রত্যুত্তরে এমন জবাব দেওয়া হবে যা তারা কোনওদিন দেখেনি।

শনিবার থেকে পশ্চিম এশিয়ায় চলছে যুদ্ধ। ইজরায়েল এবং আমেরিকার হামলা থামেনি। পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। এখনও পর্যন্ত ইরানেই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেশি। ইরানে একটি স্কুলেও হামলা চালানো হয়েছে। যুদ্ধের বলি শৈশব। রেহাই নেই পড়ুয়াদেরও। ইজরায়েলি হানায় উড়ে গেল ইরানের গার্লস স্কুল। স্কুলপড়ুয়া ও শিক্ষক সহ ১৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। গণকবরের সেই ছবি নাড়িয়ে দিয়েছে গোটা বিশ্বকে। রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার বিষয়ক দফতর ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। যাদের দুচোখ ভরে দেখার বাকি ছিল অনেক কিছু, যুদ্ধবিমান আর মিসাইলের আগুনে গোলা অকালেই তাদের চিরঘুমে পাঠিয়ে দিল। আর এই যুদ্ধের জাঁতাকলে পড়ে প্রাণ যাচ্ছে নিরীহ শিশু থেকে স্কুলপড়ুয়াদের।

ইরান ও আমেরিকা-ইজরায়েলের যুদ্ধের আবহে এবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল হরমুজ প্রণালী। আগেই চিন ও রাশিয়া ছাড়া অন্য কোনও দেশের জাহাজকে নিষিদ্ধ করেছিল ইরান। সেই হুমকি উপেক্ষা করায় ১০ টি তেলবাহী জাহাজের ওপর হামলা চালাল ইরান। বিশ্বের ২০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল সরবরাহের রুট এই হরমুজ প্রণালী। তা কার্যত বন্ধ হওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানির সরবরাহ নিয়ে শুরু হয়েছে আশঙ্কা। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, প্রয়োজনে হরমুজ প্রণালী থেকে জাহাজ বের করে আনতে সেগুলিকে ‘এসকর্ট’ করবে আমেরিকা, দেওয়া হবে বিমা পরিষেবাও।

(Feed Source: abplive.com)