
কলকাতা: ‘ধুরন্ধর’ মুক্তির পরেই চর্চায় এসেছিলেন তিনি। তকমা পেয়েছিলেন, ‘শরারত গার্ল’-এর। তাঁর পারফর্মম্যান্স নিয়ে চর্চা চলেছিল, প্রশংসিতই হয়েছিলেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই তাঁর নাচের প্রশংসা করেছিলেন.. এই একটা গানই তাঁকে পৌঁছে দিয়েছে জনপ্রিয়তার শীর্ষে। তবে এই জনপ্রিয়তাই যেন কাল হয়েছে দাঁড়িয়েছে তাঁর কাছে। আয়েশা খানের অভিযোগ, তিনি নাকি নিয়মিত ধর্ষণের হুমকি পাচ্ছেন!
ছবি মুক্তির পর থেকেই, সংবাদমাধ্যম তাঁকে নিয়ে যথেষ্ট চর্চা করেছে। তাঁর দেওয়া বিভিন্ন সাক্ষাৎকার পড়তে বা শুনতে চান অনেকেই। অনুরাগীরা অনেকেই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আগ্রহী। তবে সদ্য দেওয়া সাক্ষাৎকারে আয়েশা প্রকাশ্যে আনলেন, তিনি নিয়মিত নাকি ধর্ষণের হুমকি পাচ্ছেন। সদ্য দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে আয়েশা বলেছেন, ‘একটি সিনেমার জন্য সেটে শ্যুটিং করছিলাম। সেটে সেই দিন বাবাও উপস্থিত ছিলেন। এক দফা শ্যুটিংয়ের পরে, আমি বাবার পাশে বসেই সমাজমাধ্যমে চোখ রেখেছিলাম। হঠাৎ দেখি, নির্দিষ্ট এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে আমাকে মেসেজ পাঠিয়ে যাচ্ছেন। একাধিক ‘ভয়েস নোট’-ও ছিল সেখানে। ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। আমি অবাক হয়ে যাই।’
পাশাপাশি আয়েশা আরও বলেন, ‘প্রায় প্রতিদিনই ইনস্টাগ্রামে আমার শরীর নিয়ে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করা হয়। আমি সাধারণ একটি পোশাক পরলেও মানুষের সমস্যা, স্কার্ট পরলেও মানুষের সমস্যা। আমাকে যে কোনও কিছু পোস্ট করার আগে ভাবতে হয়। যদি আমাকে শুধুমাত্র এই কারণে পোশাক পরার আগে বা কিছু পোস্ট করার আগে ভাবতে হয় যে, কেউ আমাকে খারাপ চোখে দেখবে, তবে এটা খুব দুঃখের বিষয়। কখনও কখনও আমি ভাবি, যা ইচ্ছে তাই পোস্ট করি। কিন্তু অনেক সময় এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য পড়তে ভাল লাগে না, যেখানে লোকেরা লেখে যে, সুযোগ পেলে তারা আমার সঙ্গে কী করবে।’
আয়েশা আরও বলেন, ‘যাঁরা এরকম মন্তব্য করেন, তাঁরা হয়তো সুযোগ পেলে ঠিক সেটাই করতেন, সেটা তাঁরা লেখেন। ভয় লাগে এটাই যে, এগুলো শুধু শব্দ নয়, এগুলো আসলে মানুষের মানসিকতা। এই রকম মানসিকতার মানুষ আমাদের আশেপাশেই থাকে। আমায় প্রত্যেকদিনই ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়। এর বিরুদ্ধে কঠিন পদক্ষেপ নেওয়া গেলে, নিতাম। এই ধরণের বার্তাগুলো আমার পুরনো ক্ষতকে তাজা করে তোলে। ভয় হয়, যদি আমার পরিচিতি বা ক্ষমতা না থাকত, তাহলে মানুষ কী করত আমার সঙ্গে!’
(Feed Source: abplive.com)
