AI-জেনারেটেড যুদ্ধের ভিডিওতে রাশ টানছে এক্স, নিয়ম ভাঙলে বন্ধ হবে আয়

AI-জেনারেটেড যুদ্ধের ভিডিওতে রাশ টানছে এক্স, নিয়ম ভাঙলে বন্ধ হবে আয়

 

X Alert :  আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই (AI) ব্যবহার করে তৈরি করা যুদ্ধের (Iran Israel War) বিভ্রান্তিকর ভিডিও রুখতে কঠোর পদক্ষেপ নিল ইলন মাস্কের (Elon Musk) সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স (X)। এখন থেকে কোনও ব্যবহারকারী যদি এআই-এর সাহায্যে তৈরি সশস্ত্র যুদ্ধের ভিডিও পোস্ট করে তাতে এআই-ব্যবহারের উল্লেখ না করেন, তবে তাকে শাস্তির মুখে পড়তে হবে।

শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও নতুন নীতি
এক্স-এর প্রোডাক্ট হেড নিকিতা বিয়ার জানিয়েছেন, নতুন নীতি অনুযায়ী:

প্রথমবার নীতি লঙ্ঘন করলে: কোনও ব্যবহারকারী তথ্য গোপন করে এআই যুদ্ধের ভিডিও পোস্ট করলে তাকে ৯০০ দিনের জন্য ‘রেভিনিউ-শেয়ারিং’ বা আয় করার প্রোগ্রাম থেকে সাসপেন্ড (Suspend) করা হবে।

পরবর্তী লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে: স্থগিতাদেশের পর পুনরায় একই কাজ করলে ওই ব্যবহারকারীকে স্থায়ীভাবে বিজ্ঞাপন থেকে আয় করার সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে।

নিকিতা বিয়ার বলেন, “আজকের দিনে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্ত করা অত্যন্ত সহজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। টাইমলাইনের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং কারচুপি রোধ করতে আমরা আমাদের নীতি সংশোধন করছি।”

কীভাবে সনাক্ত করা হবে এই ভিডিও ?
এক্স জানিয়েছে, মূলত দুটি উপায়ে এই ভিডিওগুলি সনাক্ত করা হবে:
১. কমিউনিটি নোটস: সাধারণ ব্যবহারকারীরা যখন কোনও পোস্টের তথ্যের সত্যতা নিয়ে নোট দেবেন।
২. মেটাডেটা ও সিগন্যাল: জেনারেটিভ এআই টুল থেকে আসা মেটাডেটা বা ডিজিটাল সংকেত পরীক্ষা করে।

উল্লেখ্য যে, সম্প্রতি প্ল্যাটফর্মটিতে ‘Made with AI’ লেবেল যুক্ত করা হয়েছে যাতে সাধারণ ব্যবহারকারীরা সহজেই আসল ও নকলের পার্থক্য বুঝতে পারেন।

মাস্কের আকাশচুম্বী সম্পদ
ইরানের সাম্প্রতিক অস্থিরতা ও যুদ্ধের আবহে এক্স-এর ট্রাফিক বা ব্যবহারকারীর সংখ্যা সর্বকালীন রেকর্ড গড়েছে। অন্যদিকে, স্প্যাম এবং যান্ত্রিক কারচুপি রুখতে প্ল্যাটফর্মটি নতুন কিছু ‘অটোমেশন ডিটেকশন’ ব্যবস্থাও চালু করেছে।

ইতিমধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে (Middle East) শুরু হয়েছে সংঘাত। ইরান ও ইজরায়েলের (Iran Vs Israel) মধ্যে শুরু হওয়া এই সংঘাতে পেরিয়ে গিয়েছে ৫ দিন। আপাতত কোনও তৈলবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) পার করতে পারছে না। ফলে, চাহিদা বাড়ছে তেলের। আবার ভারতের আমদানিকৃত তেলের বেশিরভাগটাই এখন আসে মধ্যপ্রাচ্যের ইরাক, সৌদি আরব, কুয়েতের মতো দেশ থেকে। আমেরিকার (United States Of America) সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি সই হওয়ার পর থেকেই কমেছে রাশিয়া থেকে তেল কেনা। ফলে, এই মুহূর্তে একটু হলেও চাপে পড়েছে আমাদের দেশ।

(Feed Source: abplive.com)