
সেফ হেভেন কী?
এমন কিছু ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে বিনিয়োগ করা হলে অর্থনৈতিক মন্দা বা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার সময় সেই বিনিয়োগের ভ্যালু কমে যায় না। উল্টে বাড়তে পারে। এ ছাড়াও এই সেফ হেভেন বিনিয়োগের আরও একটা দিল হল এই ধরনের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিনিয়োগ যে কোনও সময় বিক্রি করে বেরিয়েও আসা যায়। এই ধরনের বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই সম্পদগুলোর উপর কোনও খবর, কোনও অর্থনীতি বা কোনও রাজনীতির সেভাবে কোনও প্রভাব পড়ে না।
সেফ হেভেনের উদাহরণ
সোনা: সেফ হেভেন বিনিয়োগের সবচেয়ে ভাল উদাহরণ হল সোনা। কারণ ঐতিহাসিক ভাবে সোনার দাম বেড়েছে। কখনও কমেনি। আর সেই কারণেই সেফ হেভেনের ভাল উদাহরণ হল সোনা।
সরকারি বন্ড: সরকারি বন্ড হল সবচেয়ে ভরসার জায়গা। কারণ এই ধরনের বন্ড যেহেতু সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে সেই কারণে এই সব বন্ডের রিটার্ন অর্থনৈতিক সমস্যা হোক বা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, সব ক্ষেত্রেই স্টেবল থাকে।
মুদ্রা: অনেকে বিনিয়োগকারী টালমাটাল সময়ে একটা স্টেবল রিটার্নের জন্য বেশ কিছু দেশের মুদ্রায় বিনিয়োগ করে। আমেরিকা, সুইজারল্যান্ড বা জাপানের অর্থনীতি খুব সহজেই এই ধরনের টালমাটাল পরিস্থিতি সামলে নিতে পারে। এ ছাড়াও অনেক ক্ষেত্রে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমেরিকান ডলার, সুইস ফ্র্যাঙ্ক বা জাপানি ইয়েনের মূল্য বাড়তেই থাকে। আর সেই কারণে অনেকেই মুদ্রায় বিনিয়োগ করে থাকেন।
ক্যাশ: সবচেয়ে স্টেবল সেফ হেভেন বলা যায় ক্যাশকে। কারণ বাইরের বিশ্বে যাই হোক না কেন, ক্যাশের ভ্যালু কখনও কমে না। তবে, এটাও ঠিক ক্যাশ কখনও মুদ্রাস্ফীতিকে হারাতে পারে না। কারণ ক্যাশ বাড়িতে থাকলে তার কোনও বৃদ্ধি হয় না। এ ছাড়াও ক্যাশকে যদি ব্যাঙ্কে রেখে দেওয়া হয় তাহলেও যে পরিমাণ সুদ পাওয়া যায়, সেটাও খুব বেশি কিছু নয়।
(Feed Source: abplive.com)
