)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশের সুলতানপুর জেলার সেওরা চরথাই গ্রামে, একজন নির্মাণ শ্রমিক তার স্ত্রীকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তার স্ত্রী তার ফোনের উত্তর দিতে পারেনি বলে সে তাকে লাঠি দিয়ে মারে। তার স্ত্রীর নাম কুসুম। তাকে হাসপাতালে দ্রুত নিয়ে গেলে ডাক্তাররা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে।
সেই নির্মাণ শ্রমিকের নাম নাখচেদ ও তার বয়স ৪৫ বছর। পিটিআই-এর সূত্র অনুযায়ী, কুসুম সারাদিনে নাখচেদের ফোনের উত্তর দেয়নি। ক্ষিপ্ত হয়ে নাখচেদ বাড়ি ফেরে এবং তাদের দুই সন্তান, উদয়ভান (৯) ও দীক্ষার সামনে কুসুমকে মারধর করে। যখন তাদের দুই সন্তান বাধা দিতে যায়, নাখচেদ তাদের ধাক্কা দিয়ে এক পাশে করে দেয় এবং মারধর চালিয়ে যায়। পুলিস জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিস আরও বলেছে, নাখচেদ তার স্ত্রীকে সারারাত ধরে নির্দয়ভাবে মারধর করতেন। তাদের মেয়ে জানিয়েছেন, যখন সে বুঝতে পেরেছে তার বাবা থামবে না, সে তার আহত মাকে নিয়ে আত্মীয়দের বাড়িতে নিয়ে যায়।
তবে, পরের দিন সকালে যখন তারা বাড়ি ফেরে, নাখচেদ ফের মারধর শুরু করে। এবারে সে লাঠি দিয়ে মারে। গুরুত্বর আহত কুসুম সেই আঘাতের সময় অজ্ঞান হয়ে যায়। তাকে দ্রুত সামনাসামনি এক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় যেখানে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
সার্কেল অফিসার বলদিরাই আশুতোষ কুমার বলেন, তিনি স্টেশন হাউস অফিসার অঞ্জু মিশ্রা ও একটি পুলিশ টিমের সঙ্গে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পরীক্ষা করেছেন। কুসুমের দেহকে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে।
পুলিস জানায়, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় তিনি স্বীকার করেছেন যে সে তার স্ত্রীকে মারধর করতেন। কিন্তু দাবি করেছে, যে তিনি বুঝতে পারেননি আঘাতটি প্রাণঘাতী হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, দম্পতির তিনটি সন্তান রয়েছে। দুজন নাবালক সন্তান এবং বড় ছেলে তিলক রাজ (২২) পঞ্জাবে কাজ করে। পরর্বতী তদন্ত এখনও চলছে।
(Feed Source: zeenews.com)
