
মূলত, সূত্রের খবর ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি, এলপিজি গ্যাস সঙ্কটে তৈরি বর্তমান জরুরি পরিস্থিতিতে প্রস্তুতি কতটা, সাপ্লাই চেইন, শক্তি সুরক্ষা ও বিদেশে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করা হবে এই ভার্চুয়াল বৈঠকে।
নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ অব্যাহত। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেল ও এলপিজি সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে, যা ভারতসহ অনেক দেশে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আজ শুক্রবার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইরান-মার্কিন সংঘাতের মধ্যে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে একটি ভার্চুয়াল বৈঠক করতে চলেছেন। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লকডাউনের আশঙ্কা করছেন। বৃহস্পতিবার, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্ভাব্য দেশব্যাপী লকডাউন নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি এও জানান, এটি তাঁকে বা তাঁর দলকে বিজেপির বিরুদ্ধে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে বিরত রাখতে পারবে না।
তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার জানান, জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কারণে কেন্দ্রীয় সরকার লকডাউন জারি করতে পারে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী কোভিড-১৯ মহামারির মধ্যে হওয়া ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “ওরা লকডাউন জারি করতে পারে। ওরা মানুষকে ঘরে আটকে রাখবে। আমি ২০২১ সালে লকডাউনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলাম। আমি যে কোনও পরিস্থিতিতেই লড়তে পারি।”
ক্রমাগত গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, গ্যাসের জোগানে ঘাটতির প্রসঙ্গ টেনে মমতার অভিযোগ, ‘আবার লকডাউনের পরিকল্পনা করছে। তবে ওটা করে মানুষের হাতে তালা লাগাতে পারবে না। কেউ কেউ বলছিলেন, আবার নাকি লকডাউনের কথা ভাবছে, যাতে লোকে বেরোতে না পারে। ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয়। কোভিডের সময় তো ছিল। ২০২১ সালে। তখন যদি ভোট করতে পারি, এখন যতই লকডাউন করো, মানুষের মুখে হাতে তালা-চাবি লাগাতে পারবে না। ওটা মানুষের নিজস্ব অধিকার।’ শুক্রবার সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সূত্রে খবর, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলবেন।
সূত্রের খবর, পশ্চিম এশিয়ার সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে রাজ্যগুলোর প্রস্তুতি ও পরিকল্পনার পর্যালোচনা করা হবে। যে সব রাজ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, সেই রাজ্যগুলোর মুখ্যমন্ত্রীরা এই বৈঠকে অংশ নেবেন না। নির্বাচন চলছে এমন রাজ্যগুলির মুখ্য সচিবদের জন্য পরে একটি পৃথক বৈঠকের আয়োজন করা হবে।
(Feed Source: news18.com)
