মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক সমাপ্ত হয়েছে। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে “টিম ইন্ডিয়া” হিসেবে কেন্দ্র ও রাজ্যগুলির মধ্যে কীভাবে সমন্বয় বজায় রেখে কাজ করা যায়, বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে—তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।
কী বার্তা দিলেন মোদি?
নয়াদিল্লি: মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শেষ। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। বৈঠকে “টিম ইন্ডিয়া” হিসেবে কীভাবে সব রাজ্য এবং কেন্দ্র সমন্বয় রেখে কাজ করবে পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির নিরিখে সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
বৈঠকে নির্বাচনমুখী রাজ্য ছাড়া সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিং, অমিত শাহও। উল্লেখযোগ্যভাবে, দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুক্রবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে নির্বাচনের মুখে থাকা রাজ্যগুলি ছাড়া দেশের অন্যান্য সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। মূলত, পশ্চিম এশিয়ায় চলা যুদ্ধের পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রাজ্যের প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা খতিয়ে দেখতেই এই বৈঠক।
সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, এই বৈঠকে ‘টিম ইন্ডিয়া’-র ভাবনায় রাজ্যগুলির মধ্যে সমন্বয় ও যৌথ উদ্যোগ নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে কেন্দ্র এবং রাজ্যগুলি “টিম ইন্ডিয়া” হিসেবে রাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষায় জ্বালানি সিকিউরিটি বজায় রাখার সঙ্গে সঙ্গেই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন মোদি।
সারের যোগান এবং বণ্টনে সঠিক নজরদারির ওপর জোর দেন। কালোবাজারি এবং বেআইনি মজুতের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে রাজ্যগুলিকে বলেছেন মোদি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ করতে সব স্তরে সুদৃঢ় সমন্বয় রক্ষার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন।
উপকূলবর্তী রাজ্যগুলির উপর অতিরিক্ত দায়িত্ব রয়েছে বলে উল্লেখ করেন মোদি। নৌ পরিবহণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর সরবরাহ এবং সমুদ্র উপকূলবর্তী অন্যান্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সীমান্ত ও উপকূলবর্তী রাজ্যগুলিকে বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ভুল তথ্য ও গুজব ছড়ানো নিয়ে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করেন প্রধানমন্ত্রী। কিছু রাজ্যের তরফে প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে, তাদের রাজ্যে পেট্রল, ডিজেল ও এলপিজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই ধরনের বৈঠক এই প্রথম। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথভাবে ইরানের ওপর হামলা চালানোর পর থেকেই এই সংঘাতের সূচনা হয়। এরপর ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইজরায়েল ও একাধিক উপসাগরীয় দেশে।
(Feed Source: news18.com)