IndiGo Emergency landing: মাঝ আকাশে বিকল ইঞ্জিন, ১৬১ যাত্রী নিয়ে ইন্ডিগো বিমানে বড়সড় বিপর্যয়

IndiGo Emergency landing: মাঝ আকাশে বিকল ইঞ্জিন, ১৬১ যাত্রী নিয়ে ইন্ডিগো বিমানে বড়সড় বিপর্যয়

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বিমান বিভ্রাটের খাঁড়া যেন কাটতেই চাইছে না। শনিবার সকালে মাঝ আকাশে বিমানের ইঞ্জিন বিকল। ১৬১ জন যাত্রী নিয়ে তড়িঘড়ি দিল্লি বিমানবন্দরে ইর্মাজেন্সি ল্যান্ডিং করেছে ইন্ডিগোর একটি বিমান। পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে ‘ফুল এমার্জেন্সি’ বা পূর্ণ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।

দমকল বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিমানে থাকা সকল যাত্রী সুরক্ষিত আছেন এবং কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। সকাল ১০:৫৪ মিনিটে জরুরি অবতরণের খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে বেশ কয়েকটি দমকল ইঞ্জিন পাঠানো হয়।

অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম থেকে দিল্লির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল বোয়িং ৭৩৭ (6E 579) বিমানটি। ইন্ডিগো এই বিমানটি তুরস্কের ‘কোরেন্ডন এয়ারলাইন্স’ (Corendon Airlines) থেকে লি়জ বা ভাড়ায় নিয়েছিল। বর্তমানে ইন্ডিগোর বহরে এমন পাঁচটি লিজ নেওয়া বিমান রয়েছে। ইন্ডিগো কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অবতরণের ঠিক আগে বিমানে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে।

ইন্ডিগো মুখপাত্র জানিয়েছেন, ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এবং নির্ধারিত নিয়ম (SOP) মেনে পাইলটরা দ্রুত অবতরণের অনুমতি চান। এরপর দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং বর্তমানে বিমানটি মেরামতের কাজ চলছে।’ সংস্থাটি আরও জানিয়েছে যে, যাত্রী ও ক্রু সদস্যদের নিরাপত্তাই তাদের কাছে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।

ইন্ডিগো ঘটনা প্রসঙ্গে ডিজিসিএ জানিয়েছে যে, ২৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখে, ইন্ডিগোর একটি ওয়েট লিজ বি৭৩৭-৮০০ বিমান (টিসিসিওএন), যা ফ্লাইট ৬ই-৫৭৯ (বিশাখাপত্তনম-দিল্লি) পরিচালনা করছিল, আকাশে থাকাকালীন এর ১ নম্বর ইঞ্জিনটি কমান্ডের মাধ্যমে বন্ধ করে দেওয়া হয়। প্রচণ্ড কম্পনের ফলে ১ নম্বর ইঞ্জিনটি বিকল হয়ে যায়। বিমানটিতে একটি সিএফএম-৫৬ ইঞ্জিন রয়েছে। জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় এবং বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে। পরিদর্শন ও মেরামতের জন্য বিমানটিকে গ্রাউন্ডেড করা হয়েছে। ডিএএস(এনআর) কর্তৃক এ বিষয়ে আরও তদন্ত পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২০ মার্চ দিল্লি থেকে ভ্যাঙ্কুভারের উদ্দেশে রওনা হয় ফ্লাইট AI185। সকাল ১১টা ৩৪ মিনিটে উড়ান শুরু করে। প্রথমে এটি পূর্বমুখী পথে এগোচ্ছিল। কিন্তু প্রায় ৪ ঘণ্টা ওড়ার পর, চীনের কুনমিং এলাকার আকাশসীমায় পৌঁছানোর সময় এয়ারলাইন্স সংস্থা বুঝতে পারে যে ওই বিমানটির কানাডায় প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই।

কারণ, যে বিমানটি গতকাল কানাডার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল সেটি ছিল Boeing 777-200LR। কিন্তু কানাডা রুটে বর্তমানে এয়ার ইন্ডিয়ার শুধু Boeing 777-300ER মডেলের অনুমোদন রয়েছে। এরপরই ফ্লাইটটিকে মাঝপথ থেকেই দিল্লিতে ফিরে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়। শেষ পর্যন্ত বিমানটি ইউ-টার্ন নিয়ে মোট ৭ ঘণ্টা ৫৪ মিনিট উড়ে আবার দিল্লিতে অবতরণ করে।

(Feed Source: zeenews.com)