KKR : অনেকেই আক্ষেপের সুরে বলছেন, আইপিএল দলগুলোর জার্সি এখন আর আগের মতো হচ্ছে না। এক বিশেষজ্ঞ কারণটাও জানালেন।
কলকাতা : আপনি চেন্নাই সুপার কিংস-এর ভক্ত হতে পারেন, হলুদ জার্সির এমএস ধোনিকে ‘থালা’ বলে সমর্থন করতে পারেন। আবার আপনি রয়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু-এর একনিষ্ঠ সমর্থকও হতে পারেন। লাল-নীল রঙে মজে বিরাট কোহলির জন্য গলা ফাটাতে পারেন।
দল, আনুগত্য আর রঙের বাইরেও একটা বিষয় নিয়ে প্রায় সব ভক্তই একমত—আইপিএলের জার্সিগুলো আর আগের মতো সেই ‘ঝাঁজ’টা দেয় না। যে কোনও খেলায় জার্সি শুধু একটি পোশাক নয়, এটা পরিচয়ের অংশ। এটি ব্যক্তিদের একসঙ্গে বেঁধে একটি দলের রূপ দেয়।
অস্ট্রেলিয়ার হলুদ-সবুজ মানেই প্রতিপক্ষের জন্য বিপদ। ফুটবলে ব্রাজিলের হলুদ জার্সি মানেই ‘জোগা বনিতো’-র অসাধারণ স্টাইল। আর আমাদের কাছে ২০০০-এ ভারতের হালকা নীল জার্সি—সাহারা লোগো আর তেরঙা স্ট্রিপ-সহ, আজও স্মৃতিতে গেঁথে আছে। এই জার্সিগুলো ছিল শিল্পকর্মের মতো। সবাই চাইত নিজের সংগ্রহে একটি জার্সি রাখতে। কিন্তু আজকের আইপিএল কিটগুলোতে সেই আবেগময় আকর্ষণটা আর নেই।
২০০৮ সালে যখন আইপিএল শুরু হয়, জার্সি ছিল দলের পরিচয়ের মূল কেন্দ্রবিন্দু। চেন্নাই-এর হলুদ জার্সি হোক বা কেকেআরের কালো ও সোনালি রঙের আইকনিক জার্সি, সেগুলো পরিচর বহন করত। রাজস্থানের নীল রঙ মুহূর্তেই মনে থেকে যেত সবার। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই যোগাযোগ ক্রমে দুর্বল হয়ে গেছে।
কারণ বোঝা কঠিন নয়। স্পন্সরের লোগোদের আধিক্য, অসঙ্গত ডিজাইন। জার্সিগুলোকে বিজ্ঞাপনের মতো করে তুলেছে। ভারতের ডিজাইন ইকোসিস্টেমের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন যিনি, সেই আাক্বিব ওয়ানি কী বলছেন শোনা যাক।
ওয়ানি ভারতের সাম্প্রতিক ক্রিকেট কিটগুলোর পিছনের মূল ব্যক্তি হিসেবে কাজ করেছেন। আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে, যেমন রাজস্থান রয়ালস, এবং প্যারিস অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করা দলের জন্য ডিজাইন করেছেন। ভারতের ক্রীড়ায় ডিজাইন, ব্র্যান্ডিং এবং বাণিজ্যিক চাহিদার সংযোগ সর্বোচ্চভাবে বোঝেন তিনি।
(Feed Source: news18.com)