TMC: এসআইআর-এ ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে প্রায় এক কোটি নাম বাদ গিয়েছে বাংলায়। বিপুল সংখ্যক নাম বাদ নিয়ে আজ দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে অভিযোগ জানাতে পৌঁছয় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল।
নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সাক্ষাৎ তৃণমূল প্রতিনিধি দলের
নয়াদিল্লি: আজ রাজধানী দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের সদর দফতরে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। ২৭ লক্ষ রাজ্যবাসীর নাম বাদ যাওয়া-সহ নির্বাচনী আধিকারিকদের বেশ কিছু আচরণ সম্পর্কে অভিযোগ জানাতে সকাল দশটায় নির্বাচন কমিশনের দফতরে পৌঁছন তৃণমূলের চার সাংসদের প্রতিনিধিদল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন, উপ দলনেতা সাগরিকা ঘোষ, সাংসদ হিসেবে সদ্য শপথ নেওয়া মেনকা গুরুস্বামীরা।
প্রসঙ্গত, গতকাল দুপুর তিনটের পর তৃণমূলের তরফে নির্বাচন কমিশনে দেখা করতে চেয়ে সময় চাওয়া হয়। কিন্তু কমিশনের তরফে কোনও জবাব না পেয়ে তৃণমূলের তরফে রাজ্যসভার সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী এবং প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ সাকেত গোখেল দিল্লিতে ধর্নায় বসবেন বলে প্রাথমিকভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু তারপরে কমিশনের তরফে বুধবার সকাল দশটায় দেখা করার জন্য সময় দেওয়া হয়। তাই তৃণমূলের তরফের ধর্না কর্মসূচি আপাতত স্থগিত রাখা হয়। সেইমতো আজ তৃণমূলের ৪ সদস্যের প্রতিনিধি দল পৌঁছে যায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরে।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে এসে সাংসদ ও তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও ব্রায়েন জানান, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বৈঠকের ৭ মিনিটের মধ্যে আমাদের বেরিয়ে যেতে বলেছেন। আমরা বেরিয়ে এসেছি তাই। সাংসদদের বলেছেন বেরিয়ে যাও! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৯টি চিঠি নিয়ে গিয়েছিলাম। বলেছি, একজন মুখ্যমন্ত্রীর চিঠি, অথচ আপনারা একটারও জবাব দেননি। আমরা বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে সিইও-সহ নির্বাচনী আধিকারিকরা রয়েছেন এমন ছবি দেখিয়েছি। ৬টি প্রমাণ দিয়েছি। তারপরই যখন আমরা প্রশ্ন তুলি, আপনারা এভাবে কীভাবে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আশ্বাস দিচ্ছেন? চ্যালেঞ্জ করছি। ব্যাখ্যা দিয়ে ভিডিও প্রকাশ করুন, ভিডিও না হলেও অডিও প্রকাশ করুন।”
(Feed Source: news18.com)