
KJ-500 একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, যা সময় থাকতে যা শত্রুর আক্রমণ আঁচ করতে পারে, শত্রুর গতিবিধির উপর নজর রাখতে পারে এবং বহু দূরত্ব থেকে ধেয়ে আসা আক্রমণের জবাবও দিতে পারে। পাকিস্তানকে বিশেষ সামরিক সহযোগিতা প্রদান করছে চিন, KJ-500 সেই প্যাকেজের মধ্যেই রয়েছে। J-35A স্টেলথ যুদ্ধবিমান এবং HQ-19 এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও হাতে পাচ্ছে পাকিস্তান। (AWACS Aircraft)
শুধু তাই নয়, চিনের কাছ থেকে অত্যাধুনিক স্টেলথ, সেন্সর ফিউশনও পাচ্ছে পাকিস্তান, যার দ্বারা আত্মরক্ষার শক্তি বৃদ্ধি করতে চায় পাকিস্তান। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জুন মাস থেকেই AWACS নিয়ে চিনের সঙ্গে আলোচনা চলছিল। ওই অগাস্ট মাসেই ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান, এয়ার মার্শাল অমরপ্রীত সিংহ জানান, ‘অপারেশন সিঁদুর’ চলাকালীন পাকিস্তানের ছয়টি বিমান নামিয়েছে ভারত, যার মধ্যে পাঁচটি ছিল যুদ্ধবিমান এবং একটি AWACS.
চিনের কাছ থেকে যে নতুন AWACS বিমান কিনছে পাকিস্তান, তার মাধ্যমে শুধুমাত্র শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমন নয়, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন পর্যন্ত চিহ্নিত করা সম্ভব, তাও হামলা হওয়ার,ক ইন্টারসেপ্টর এবং ক্ষেণাস্ত্র ব্যাটারির মধ্যে সমন্বয় গড়ে ওঠার ঢের আগে। আগে পাকিস্তানের কাছে Saab Erieye 2000 AWACS ছিল। ‘অপারেশন সিঁদুরে’র সময় ভারত সেটি নামায় বলে জানিয়েছিল Eurasian Times. ভোলারি বায়ুসেনা ঘাঁটিতে তারা আরও একটি AWACS হারায় বলেও দাবি করা হয়। পাকিস্তানের প্রাক্তন এয়ার মার্শাল মাসুদ আখতার সেকথা মেনে নিলেও, সরকারি ভাবে পাকিস্তানের তরফে খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি।
পহেলগাঁও হামলার জবাবে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে জঙ্গিঘাঁটিগুলি ধ্বংস করে ভারত। পাকিস্তানের তরফে পাল্টা আঘাত হানার চেষ্টা হলে যুদ্ধ পরিস্থিতি দেখা দেয়। শেষ পর্যন্ত আমেরিকার তরফে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। কিন্তু পাকিস্তানের তরফে AWACS কেনা নিয়ে এই তাড়াহুড়ো কেন? বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ফের নজরদারি জোরদার করতে চায় পাকিস্তান। নিজেদের ক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করতে চায়। তাদের বায়ুসেনার খোলনলচেও বদলে যাবে এতে।
অন্য দিকে, ভারতের তরফে আরও ১১৪টি অতিরিক্ত রাফাল যুদ্ধবিমান কেনা হচ্ছে। ৩.২৫ লক্ষ কোটির বিনিময়ে আরও রাফাল কেনা হচ্ছে। এতে ভারতীয় বায়ুসেনার হাত মজবুত হবে।
(Feed Source: abplive.com)
