Super Typhoon Sinlaku: সিংহবিক্রমে ধেয়ে আসছে ভয়াবহ এক সুপার টাইফুন; দিগন্তে ঘনাচ্ছে সিনলাকু’র হিংস্র ছায়া

Super Typhoon Sinlaku: সিংহবিক্রমে ধেয়ে আসছে ভয়াবহ এক সুপার টাইফুন; দিগন্তে ঘনাচ্ছে সিনলাকু’র হিংস্র ছায়া

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন সিনলাকু (Super Typhoon Sinlaku)! ভয়ংকর শক্তিশালী এই টাইফুনটি (powerful typhoon) মধ্য-এপ্রিল (In mid-April 2026) নাগাদ ঝাঁপিয়ে পড়বে। আক্রান্ত হতে চলেছে উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের (North Pacific Ocean)  মারিয়ানা দ্বীপ (Mariana Islands)। বছরের প্রথম দিকেই ধেয়ে আসছে খুবই বিরল শক্তিশালী (exceptional strength) এই ঝড়। এদিকে কয়েকদিন আগেই এসেছিল ঘূর্ণিঝড় ভায়ানু (Cyclone Vaianu)। রবিবার নিউজিল্যান্ডের নর্থ আইল্যান্ডে (New Zealand’s North Island) আঘাত হেনেছিল এই ঘূর্ণি। এর জেরে সেখানে ব্যাপক বন্যা (Flood) দেখা দিয়েছিল, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন (power outages) হয়ে গিয়েছিল। শত শত মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। হাওয়ার গতি ছিল অনন্ত ১৫০ কিমি প্রতি ঘণ্টা বেগে (Wind gusts of up to 150km/h)।

সুপার টাইফুন সিনলাকু

মহাকাশ থেকে দেখা গেল এর বিধ্বংসী রূপ। ফিলিপিন্স সাগরের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া সুপার টাইফুন সিনলাকু যখন তার শক্তির শিখরে পৌঁছয়, তখন নাসার উপগ্রহ থেকে এর এই অসাধারণ ও ভয়াবহ চিত্রটি ধরা পড়ে। এটি ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অন্যতম শক্তিশালী ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়।

তীব্রতা ও গতি

সিনলাকু যখন সুপার টাইফুনের রূপ নেয়, তখন এর বাতাসের  গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২৪০ কিলোমিটার (১৫০ মাইল)! এটি ক্যাটেগরি ৪ হারিকেনের সমতুল্য শক্তি অর্জন করেছিল।

ঝড়ের চোখ এবং

নাসার মডারেট রেজলিউশন ইমেজিং স্পেকট্রোরেডিওমিটার (MODIS) দিয়ে তোলা ছবিতে দেখা গিয়েছে, টাইফুনটির ‘চোখ’ বা কেন্দ্র অত্যন্ত সুগঠিত এবং মেঘমুক্ত, যা এক ভয়ংকর শক্তিশালী ঝড়ের লক্ষণ। ঝড়টি কয়েকশো কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত ছিল, যার চারপাশ ঘিরে ছিল ঘন মেঘের কুণ্ডলী এবং প্রবল বজ্রপাতপূর্ণ মেঘরাশি।

সমুদ্র উত্তাল

সিনলাকু ফিলিপিন্স ও তাইওয়ানের উপকূলীয় অঞ্চলের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় ব্যাপক বৃষ্টিপাত ও জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি করেছে। যদিও এর মূল কেন্দ্রটি স্থলভাগের কিছুটা দূর দিয়ে অতিক্রম করেছিল। তাই সেই ভয়ংকর ক্ষতিটা ঘটেনি। তবুও এর প্রভাবে সৃষ্ট প্রবল বাতাসে সমুদ্র উত্তাল হয়ে ওঠে।

চিনের উপকূলে আঘাত

পরে টাইফুনটি চিনের পূর্ব উপকূলে আছড়ে পড়ে। এর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে বন্যা, ভূমিধস হয়। মানুষ এবং সম্পত্তির ক্ষয় হয় বিপুল পরিমাণে। সব মিলিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটে। হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে হয়।

প্রচন্ড শক্তির

নাসার বিজ্ঞানীরা এই প্রচন্ড শক্তির টাইফুনটিকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছেন। সিনলাকুর মতো শক্তিশালী ঝড়গুলি কীভাবে সমুদ্রের উষ্ণতা থেকে কোনও ঝড় শক্তি সঞ্চয় করে, তা বুঝতে সাহায্য করে। আর ঝড়ের এইসব তথ্য ভবিষ্যতের ঘূর্ণিঝড়ের সঠিক পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আবহাওয়া মডেলকে আরও বেশি করে সাহায্য করবে।

(Feed Source: zeenews.com)