)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: তারেক রহমানের (Tarique Rahman) সামনে কেন এই বিশাল সংকট? কেন ঘনাল তা? কীভাবেই-বা? বাংলাদেশের সামনে এখন বিরাট আর্থিক সংকট (Bangladesh Financial Crisis)! এ দেশের ফরেন রিজার্ভ (Foreign reserves declined) সহসাই কমে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক মানিটারি ফান্ড (IMF)-এর তথ্য সেকথাই জানাচ্ছে। এখন যা বিশ্ব-পরিস্থিতি (current global environment) তাতে বহু দেশেরই সামনে সংকট ঘনিয়েছে, অনেকেই বাজেট সাপোর্ট (budget support) চাইছে।
৩০০ কোটি ডলারের ঋণ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে বড় সংকটে বাংলাদেশ। জ্বালানি সংকটের পর এবার আর্থিক সংকটে পড়েছে বাংলাদেশ। তাদের এখন প্রয়োজন ৩০০ কোটি ডলারের ঋণ। ইতিমধ্যেই ঋণের জন্য খোঁজখবর শুরু করেছে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু কোথা থেকে মিলবে এই বিশাল পরিমাণ ঋণ?

বন্ধুদেশগুলির থেকে কি এই ঋণ মিলবে?
ইরান-আমেরিকা সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে বাড়ছে জ্বালানি তেল, রান্নার গ্যাস ও সারের দাম। বাংলাদেশে এই সব পণ্য আমদানির খরচ জোগাতেই প্রয়োজন এই ৩০০ কোটি ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা। ভর্তুকি দিতে লাগবে সাড়ে ৩৮ হাজার কোটি টাকা। গত মার্চ থেকে আগামী জুন মাস পর্যন্ত বাজেটে সহায়তার জন্য এই ঋণ নিতে চায় তারা। বন্ধুদেশগুলির থেকে এই ঋণ পাওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগকে চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশের অর্থ মন্ত্রক।

আইএমএফ?
দেশের জরুরি প্রয়োজন মেটাতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই ঋণ তাদের দরকার বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ। সূত্রের খবর, আইএমএফের কাছ থেকে এই অতিরিক্ত ঋণ চাওয়া হয়েছে।
২০২২ থেকেই সংকট
প্রসঙ্গত, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি-সহ নিত্যপণ্যের দাম বেড়ে গিয়েছিল। তখন থেকেই অতিরিক্ত দামে জ্বালানি আমদানি করতে গিয়ে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত দ্রুত কমতে শুরু করেছিল। বাংলাদেশি মুদ্রার দামও ডলারের সাপেক্ষে ৮৬ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকায় পৌঁছয়। ফলে বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতি লাফিয়ে বাড়তে থাকে। সেই সময় অবশ্য এজন্য দায়ী করা হয়েছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারকে।
(Feed Source: zeenews.com)
