Course After HS: উচ্চ মাধ্যমিকের পরে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হয়ে অনেকেই নিজের কেরিয়ার তৈরি করতে চান। দুর্গাপুরে চালু হয়েছে ডিপ্লোমা ইন ক্রিটিক্যাল কেয়ার টেকনোলজি (DCCT) কোর্স। দুই বছরের এই ডিপ্লোমা কোর্সের সবথেকে আকর্ষণীয় দিক স্বল্প খরচ।
ডিপ্লোমা ইন ক্রিটিক্যাল কেয়ার টেকনোলজি (প্রতীকী ছবি)
দুর্গাপুর, পশ্চিম বর্ধমান: উচ্চ মাধ্যমিকের পরে স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হয়ে অনেকেই নিজের কেরিয়ার তৈরি করতে চান। তবে অনেক সময় নম্বর অথবা আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে সেটা সম্ভ হয়ে ওঠে না। কিন্তু সেই সমস্ত পড়ুয়াদের জন্য দুর্গাপুরে রয়েছে বড় সুযোগ। চিকিৎসা পরিষেবায় যুক্ত হতে চাওয়া ছাত্রছাত্রীদের সুযোগ দিচ্ছে দুর্গাপুরের এক নামী বেসরকারি হাসপাতাল।
উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোনোর পরই সরাসরি স্বাস্থ্য পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পরিকল্পনা এবার সফল হবে। কারণ দুর্গাপুরে চালু হয়েছে ‘ডিপ্লোমা ইন ক্রিটিক্যাল কেয়ার টেকনোলজি’ (DCCT) কোর্স। বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এই বিশেষজ্ঞ চাহিদা যে হারে বাড়ছে, তাতে এই কোর্সটি কেরিয়ারের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দুই বছরের এই ডিপ্লোমা কোর্সের সবথেকে আকর্ষণীয় দিক স্বল্প খরচ। মাত্র ১ লক্ষ টাকার খরচে এই বিশেষ প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ মিলছে।
আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় যেখানে পড়াশোনার খরচ আকাশছোঁয়া, সেখানে এত কম খরচে পেশাদার এই কোর্স মধ্যবিত্ত পরিবারের পড়ুয়াদের জন্য অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক। এই কোর্সে ভর্তির জন্য বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হতে হবে। তবেই মিলবে সুযোগ। হাসপাতাল সূত্রের খবর, এই কোর্সটি করলে কাজের সুযোগও মিলবে দ্রুত।
এই কোর্সে আবেদন করতে চাইলে সংস্থার
অফিয়াল ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারেন। সেখানেই কোর্স, আবেদন পদ্ধতি ও ফি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য। দেওয়া আছে।
মূলত হাসপাতালের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ যেমন সিসিইউ (CCU), আইসিইউ (ICU) এবং ইমার্জেন্সি বা জরুরি বিভাগে এই বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজন পড়ে। রোগীদের জীবনদায়ী যন্ত্রপাতির রক্ষণাবেক্ষণ থেকে শুরু করে আপৎকালীন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকদের সহায়তা করার ক্ষেত্রে এই কর্মীরা মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করেন। ফলে কর্মসংস্থানের দিক থেকেও এই কোর্সটির ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল।
সরকারি ও বেসরকারি, উভয় ক্ষেত্রেই ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটের সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেখানে দক্ষ বিশেষজ্ঞদের চাহিদাও যে সমান্তরালভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তাই এই প্রশিক্ষণ থাকলে চাকরির যে অভাব হবে না, তা সহজেই বলা যায়। তাই উচ্চ-মাধ্যমিকের পরে যে পড়ুয়ারা স্বাস্থ্যক্ষেত্রে প্রবেশ করতে চাইছেন, তাঁদের জন্য এই কোর্সটি আদর্শ সুযোগ।