
Nashik TCS Conversion Case: ২ মাস আগে নিদা খানকে মুম্বইয়ের মালাড ও হিরানন্দানি অফিসে বদলি করা হয়। এর কিছুদিন পরেই তাঁর স্বামী মইন নাভিদ ইকবাল খান থানে জেলার মুম্ব্রায় আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস (AWS)-এ লজিস্টিকস অফিসার হিসেবে চাকরি পান।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নাসিক টিসিএস-এ যৌন হেনস্থা ও ধর্মান্তরণ মামলায় প্রশ্নের মুখে মূল অভিযুক্ত নিদা খানের স্বামীর ভূমিকাও। নিদা খানের অবস্থান সম্পর্কে পুলিশকে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেওয়ায় তার স্বামীর ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে পড়েছে।
নিদা খান টিসিএস-এর নাসিক ইউনিটে কর্মরত ছিলেন। ২ মাস আগে তাঁকে মুম্বইয়ের মালাড ও হিরানন্দানি অফিসে বদলি করা হয়। এর কিছুদিন পরেই তাঁর স্বামী মইন নাভিদ ইকবাল খান থানে জেলার মুম্ব্রায় আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস (AWS)-এ লজিস্টিকস অফিসার হিসেবে চাকরি পান। যদিও টিসিএস ‘ধর্মান্তর’ মামলায় নিদা খানের নাম জড়াতেই তাঁকে চাকরি থেকে সাসপেন্ড করা হয় এবং গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে যান নিদা খান।
এই পরিস্থিতিতে পুলিশ তার স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। স্বামী মইন নাভিদ ইকবাল খান পুলিসকে জানান, ১৪ এপ্রিল নিদা খান তাঁর বাড়ি ছেড়ে তাঁর এক আত্মীয়ের কাছে যান। সেই সূত্র ধরে পুলিশ ওই আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে পৌঁছয়। কিন্তু সেটি তালাবন্ধ পায়। ওদিন নিদা খান ও তাঁর ওই আত্মীয়— দুজনেরই মোবাইল ফোন সুইচড অফ পাওয়া যায়।
পরে নিদা খানের স্বামী মইন নাভিদ ইকবাল খান পুলিশকে জানান, নিদা খানের পিসি নূরি শেখ তাকে এই সপ্তাহের শুরুতে নাসিকে নিয়ে গিয়েছেন। এদিকে নাসিক আদালতে নিজেকে গর্ভবতী বলে দাবি করে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন নিদা খান। ‘আমি গর্ভবতী’। নাসিক টিসিএস মামলায় বিস্ফোরক দাবি মূল অভিযুক্ত নিদা খানের। নিজেকে গর্ভবতী দাবি করেই আগাম জামিনের আবেদন নিদা খানের।
নিদা খানের পরিবারও তাঁর গর্ভাবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত করেছে। পরিবার জানিয়েছে যে, নিদা খান গর্ভবতী। তিনি তাঁর প্রথম সন্তানের আগমনের অপেক্ষায় রয়েছেন। নাসিকের একটি স্থানীয় আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছেন নিদা খান। যেখানে তাঁর গর্ভাবস্থাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও এই দাবিপরীক্ষা সাপেক্ষ। মেডিক্যাল টিম নিদা খানের এই দাবি খতিয়ে দেখবে বলে খবর।
এদিকে নিদা খানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পরই সংস্থার তরফে তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়। ৯ এপ্রিলের একটি চিঠিতে বলা হয়েছে, “আপনার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে কম্পানি অবগত হয়েছে। বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে এবং আপনি আপনার দায়িত্ব পালন করতে অক্ষম হওয়ায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আপনাকে অবিলম্বে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
নাসিক, পুনে ও গোয়া শাখার এইচআর প্রধান শেখর কাম্বলে স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, খানের টিসিএস নেটওয়ার্কে প্রবেশাধিকারও “সাময়িকভাবে বাতিল” করা হয়েছে। সেইসঙ্গে চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, “আপনার কাছে থাকা কম্পানির সমস্ত সম্পত্তি ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করুন এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনও অফিসে যোগ দেবেন না বা অন্য কোনও স্থান থেকেও কাজ করবেন না।”
প্রসঙ্গত, শুক্রবার টিসিএস আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি জারি করে জানায় যে, নিদা খান কোনও এইচআর ম্যানেজার নন। তিনি নিয়োগ সংক্রান্ত কোনও দায়িত্বেও ছিলেন না। তিনি একজন প্রসেস অ্যাসোসিয়েট হিসেবে কাজ করছিলেন। তাঁর কোনও নেতৃত্বমূলক ভূমিকা ছিল না।
(Feed Source: zeenews.com)
