রাজ কাপুরের ছবি যার আয় দিয়ে আরকে স্টুডিও কেনা হয়েছিল, রামায়ণের সঙ্গে দূরদর্শনের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।

রাজ কাপুরের ছবি যার আয় দিয়ে আরকে স্টুডিও কেনা হয়েছিল, রামায়ণের সঙ্গে দূরদর্শনের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে।
নয়াদিল্লি:

চলচ্চিত্র জগতে মাঝে মাঝে এমন একটি গল্প সামনে আসে, যা কোনো ছবির স্ক্রিপ্টের চেয়ে কম শোনা যায় না। একদিকে সুপারহিট ছবি, অন্যদিকে একই ছবির সঙ্গে সম্পর্কিত এমন সংযোগ, যা বছরের পর বছর টিভি জগতে ইতিহাস তৈরি করে। মজার বিষয় হল এই গল্পটি শুধু স্টারডম বা উপার্জন নিয়ে নয়, বরং এমন একটি স্বপ্ন নিয়েও যা হিন্দি সিনেমাকে আরকে স্টুডিওর মতো বড় নাম দিয়েছে। এখন শুধু ভাবুন, কোনটি সেই ছবি ছিল যা রাজ কাপুরের স্বপ্ন পূরণ করেছিল এবং তাকে তার নিজস্ব আর কে স্টুডিও স্থাপনের সুযোগ দিয়েছিল, এবং একটি যাত্রা শুরু করেছিল যা সিনেমাকে ছাড়িয়ে ‘রামায়ণ’-এ পৌঁছেছিল।

নাম শুনলেই কানেকশন বুঝতে পারবেন

রাজ কাপুর 22 বছর বয়সে ‘আগ’ তৈরি করেছিলেন কিন্তু ছবিটি আশানুরূপ পারফর্ম করতে পারেনি। অগ্নিকাণ্ডের পর নিজেকে প্রমাণ করার বড় চ্যালেঞ্জ ছিল রাজ কাপুরের। প্রথম ছবির ব্যর্থতা তাকে অবশ্যই নাড়া দিয়েছিল, কিন্তু তিনি হাল ছাড়েননি। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে এখন এমন একটি গল্প দরকার যা সরাসরি দর্শকদের হৃদয়ে চলে যাবে। এই অনুসন্ধান তাকে সঠিক মানুষের কাছে নিয়ে যায় এবং এখান থেকেই তার নতুন সূচনা হয়।

এক নাম, বড় সংযোগ

এই মুহুর্তে, তার বাবা পৃথ্বীরাজ কাপুর নতুন লেখক রামানন্দ সাগরের নাম প্রস্তাব করেছিলেন। সেই সময় খুব কমই কেউ ভাবেন যে এই নামটি পরবর্তীতে ‘রামায়ণ’-এর মতো ইতিহাস তৈরি করবে। ‘বারসাত’ তার প্রথম বড় ছবি হয়ে ওঠে এবং এর গল্প রাজ কাপুরের ভাগ্য বদলে দেয়। এখান থেকেই সিনেমা আর টিভির মধ্যে এক অনন্য সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

রোজগারের স্বপ্ন

সেই সময়ে ‘বারসাত’-এর গানগুলো সুপারহিট ছিল। বলা হয়, ছবির খরচ মিউজিক রয়্যালটি দিয়ে মেটানো হয়েছে। এর পরে, ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে দুর্দান্ত ব্যবসা করেছিল এবং রাজ কাপুর আর্থিকভাবে শক্তিশালী হয়ে ওঠেন। ছবির আয় দিয়ে রাজ কাপুর চেম্বুরে প্রায় ২.২ একর জমি কিনেছিলেন। সেই সময় এই এলাকাটি বেশ শান্ত ছিল, তবে শুটিংয়ের জন্য এটি চমৎকার বলে বিবেচিত হত। পরে এই জমিতে আরকে স্টুডিও তৈরি করা হয়।

(Feed Source: ndtv.com)