নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে আরোহণ, আচমকা ফুঁসে উঠল আগ্নেয়গিরি, তার পর…ভিডিও ভাইরাল

নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে আরোহণ, আচমকা ফুঁসে উঠল আগ্নেয়গিরি, তার পর…ভিডিও ভাইরাল
নয়াদিল্লি: কোথাও কিছু নেই। চারিদিক একেবারে শান্ত। হঠাৎই বিস্ফোর ঘটল যেন। একেবারে উথালপাথাল পরিস্থিতি। এভাবেই হঠাৎ ফুঁসে উঠল পৃথিবীর অন্যতম ভয়ঙ্কর সান্টিয়াগিটো আগ্নেয়গিরি। সেই পরিস্থিতিতে প্রাণ হাতে করে দৌড় দিলেন পদযাত্রীরা। পড়িমরি করে পাহাড় থেকে নেমে আসতে দেখা গেল তাঁদের। (Santiaguito Volcano Erupts)

সান্টিয়াগিটো আগ্নেয়গিরিটি পৃথিবীর অন্যতম ভয়ঙ্কর আগ্নেয়গিরি। প্রায় রোজই জ্বালামুখ থেকে ছিটকে বেরোয় লাভা, পাথর। ওই আগ্নেয়গিরির ৫.৩ মাইল এলাকায় তাই প্রবেশ নিষিদ্ধই থাকে। কিন্তু তারপরও অতি উৎসাহী পদযাত্রীরা আগ্নেয়গিরির কাছে পৌঁছে যান প্রায়শই। এবারও তেমনই বেশ কয়েক জন আগ্নেয়গিরিটির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। সেখানে যে দৃশ্যের সাক্ষী হলেন তাঁরা, তা ভয়ঙ্কর। (Science News)

গত ২০ এপ্রিল গুয়াতেমালার সান্টিয়াগিটো আগ্নেয়গিরিটি ফুঁসে ওঠে। কার্লোস এনরিকে পোরেস রোদাস নামের এক ব্যক্তি সেইসময়কার একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন, যা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। ওই ভিডিও-য় দেখা গিয়েছে, আচমকাই ফুঁসে ওঠে আগ্নেয়গিরিটি। মাটির নীচে কার্যত বিস্ফোরণ ঘটে। ধুলো, ছাই ঢেকে দেয় চারিদিক। 

এমন পরিস্থিতিতে প্রাণ হাতে করে দৌড়তে শুরু করেন একদল পদযাত্রী। আতঙ্কে চিৎকারও করে ওঠেন কেউ কেউ। ‘এল পাসো ডি লা মুয়ের্তে’ ঢালে এই ঘটনা ঘটে, যা ‘Death Trail’ বা ‘মৃত্যুপথ’ হিসেবেও পরিচিত। অতি সক্রিয় অগ্ন্যুৎপাত অঞ্চলের মধ্যে পড়ে সেটি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমসূত্রে খবর একদল পদযাত্রী আগ্নেয়গিরিটিতেই উঠছিলেন। সেই সময় হঠাৎই ফুঁসে ওঠে আগ্নেয়গিরিটি। তাতেই হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। তবে হতাহতের কোনও খবর নেই। রোদাস জানিয়েছেন, সান্টিয়াগিটো আগ্নেয়গিরিটি লাতিন আমেরিকার মধ্যে সবচেয়ে বিপজ্জনক। নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে তাও অনেকেই কাছাকাছি পৌঁছে যান, তাঁরা রোমাঞ্চ অনুভব করেন এতে। 

গুয়াতে মালার বিপর্যয় বিভাগ জানিয়েছে, আগ্নেয়গিরিটি থেকে লাগাচার লাভা, পাথর ছাই নর্গত হয়ে চলেছে। বেশ কিছু জায়গায় ধসও নেমেছে সেখানে।

(Feed Source: abplive.com)