Hyderabad: তিন পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক, স্ত্রীর এলোমেলো VDO ভাইরাল: ১৯ পাতার নোটে সব লিখে আত্মঘাতী ইঞ্জিনিয়ার

Hyderabad: তিন পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক, স্ত্রীর এলোমেলো VDO ভাইরাল: ১৯ পাতার নোটে সব লিখে আত্মঘাতী ইঞ্জিনিয়ার

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সেটেলড জীবন, হাই প্রোফাইল চাকরি: কিন্তু মাত্র ৩৬ বছরেই আত্মঘাতী সফট ইঞ্জিনিয়ার। কিন্তু কেন? ১৯ পাতার সুইসাইড নোটে লেখা তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ। আত্মঘাতী যুবকের নাম সীতারাম। হায়দরাবাদের বিখ্যাত হুসেন সাগর লেকে ঝাঁপ দিয়ে তিনি নিজের জীবন শেষ করেন। সুইসাইড নোটে স্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ লিখে রেখে গিয়েছেন।

সীতারাম তাঁর সুইসাইড নোটে দাবি করেছেন যে তাঁর স্ত্রী রেণুকা গত দেড় বছর ধরে অন্তত তিনজন পুরুষের সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলেন। সীতারামের অভিযোগ, তিনি যখন কাজে বাইরে থাকতেন, তখন ওই ব্যক্তিদের মধ্যে একজন নিয়মিত তাঁদের বাড়িতে আসতেন। ঘটনাটি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন সীতারাম দাবি করেন যে, তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে অন্য এক ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিয়ো রেকর্ড করা হয়েছিল।

পরবর্তীকালে রামানা নামক এক ব্যক্তি সেই ভিডিয়োগুলি ইনস্টাগ্রামে ছড়িয়ে দেয়। সীতারাম লিখেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ভিডিয়োগুলি দেখার পরেই তিনি স্ত্রীর এই সম্পর্কের কথা জানতে পারেন। নিজের স্ত্রীর এমন ব্যক্তিগত ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তে দেখে তিনি চরম মানসিক যন্ত্রণার শিকার হন এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

সুইসাইড নোটে সীতারাম তাঁর গভীর কষ্টের কথা ব্যক্ত করেছেন। তিনি লিখেছেন, তিনি তাঁর স্ত্রীকে অত্যন্ত যত্ন করতেন এবং তাঁর সমস্ত প্রয়োজন পূরণ করতেন। কিন্তু বিনিময়ে যে বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণা তিনি পেয়েছেন, তা তাঁর সহ্যক্ষমতার বাইরে চলে গিয়েছিল। এই চরম অবমাননা ও মানসিক আঘাত থেকেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে নোটে উল্লেখ করেছেন।

হায়দরাবাদ পুলিস ইতিমধ্য়েই একটি মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিস কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত ১৯ পাতার সুইসাইড নোটটির সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সীতারামের স্ত্রীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ছড়ানোর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিস।

প্রসঙ্গত, গত মাসে বেঙ্গালুরুতে প্রায় একই ধরণের ঘটনা সামনে আসে। তবে সেখানে নির্যাতিত স্বামী আত্মহত্যার পথ বেছে নেননি। বরং স্ত্রীর বিরুদ্ধে পুলিসের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ৩৭ বছর বয়সী নির্যাতিত যুবক জানান, বিয়ের পর থেকেই তাঁর দাম্পত্য জীবনে শ্বশুরবাড়ির লোকজন অনবরত নাক গলাত। তাঁর দাবি, শাশুড়ি তাঁকে বাড়ি থেকে চলে যেতে বাধ্য করতেন যাতে তাঁর মেয়েকে অন্য কোনো ‘বড়লোক’ ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিতে পারেন। এমনকি তাঁর শ্বশুরও লোক পাঠিয়ে তাঁকে হুমকি দিতেন বলে এফআইআর-এ উল্লেখ করা হয়েছে।

যুবক বয়ানে আরও জানান, তাঁর স্ত্রী তাঁকে ক্রমাগত মানসিক ও যৌন নির্যাতন করতেন। তিনি অভিযোগ করেন, স্ত্রী তাঁকে কুরুচিকর ভিডিয়ো পাঠিয়ে তা অনুকরণ করতে বাধ্য করতেন। এমনকী স্ত্রীর কোনো বন্ধুর সঙ্গে তাঁকে অন্তরঙ্গ হওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হত। ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা নষ্ট করে অন্যদের কাছে তা প্রকাশ করার হুমকি দেওয়া হত। এছাড়া তাঁর স্ত্রী তাঁর আর্থিক অবস্থা নিয়ে উপহাস করতেন এবং প্রাক্তন প্রেমিকের সঙ্গে পরকীয়ার কথা স্বীকার করেছিলেন।

আপনি কি অবসাদগ্রস্ত? বিষণ্ণ? চরম কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার হাত ধরতে তৈরি অনেকেই। কথা বলুন প্লিজ…
iCALL (সোম-শনি, ১০টা থেকে ৮টা) ৯১৫২৯৮৭৮২১
কলকাতা পুলিস হেল্পলাইন (সকাল ১০টা-রাত ১০টা, ৩৬৫ দিন) ৯০৮৮০৩০৩০৩, ০৩৩-৪০৪৪৭৪৩৭
২৪x৭ টোল-ফ্রি মানসিক স্বাস্থ্য পুনর্বাসন হেল্পলাইন– কিরণ (১৮০০-৫৯৯-০০১৯)

(Feed Source: zeenews.com)