
এপ্রিলের শেষে অনুমতি
গত ২৬ এপ্রিল ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া ৫ থেকে ১২ বছর বয়সীদের জন্য বায়োলজিক্যাল-ই-র কর্বিভ্যাক্স এবং ৬-১২ বছর বয়সীদের ভার বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেয়। এরপর থেকে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অফ ইমিউনাইজেশন
শিশুদের টিকাদানের তথ্য মূল্যায়ন করতে বেশ কয়েকবার বৈঠক করেছে। তবে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অফ ইমিউনাইজেশন এব্যাপারে কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি। গ্রুপের সদস্যরা মনে করছেন, ১২ বছরের কমবয়সীদের ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণ এবং তাতে মৃত্যু টিকা দেওয়ার ব্যাপারে
দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়।

এই মুহূর্তে টার্গেট ১২-১৮ বছর বয়সীরা
তিনি আরও বলেছেন, এই মুহূর্তে সরকারের লক্ষ্য হল ১২-১৮ বছর বয়সী কিশোর-কিশোরীরা। তাদের কত শতাংশ টিকা নিল তাও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। কেননা তুলনামূলক এই বয়সের কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেশি এবং কোভিড জটিলকায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। এছাড়াও এই বয়সীদের মধ্যে টিকা নেওয়ার হারও খুব একটা সন্তোষজনক নয়, বলেছেন ওই স্বাস্থ্য কর্তা।

কোন বয়সীরা কত টিকা নিয়েছে
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ১২-১৪ বছর বয়সীদের মধ্যে টিকার কভারেজ ৪০-৪২ শতাংশ। যেখানে ১৫-১৮ বছয় বয়সীদের মধ্যে টিকার কভারেজ প্রায় ৬৫ শতাংশের মতো। যদি এই বয়সীদের মধ্যে টিকা দেওয়ার বিষয়ে সচেতনতা আনা না যায়, তাহলে ১২ বছরের কম বয়সীদের জন্য কোভিজ-১৯টিকা দেওয়ার উদ্যোগের কোনও মানে হয় না, বলেছেন এক স্বাস্থ্য কর্তা।

শিশুরা দ্রুত সুস্থ হচ্ছে
প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অফ ইমিউনাইজেশনের তরফে বলা হয়েছে, ১২ বছরের কম বয়সী শিশুদের বেশিরভাগই উপসর্গহীন কিংবা হাল্কা লক্ষণ থাকে। বড় কোনও চিকিৎসা ছাড়াই শিশুরা দ্রুত সুস্থও হয়ে ওঠে। তবে যেসব শিশুরা মোটা কিংবা কো-মর্বিডিটি রয়েছে, তাদের টিকা নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। সেই কারণে শিশুদের ওপরে কোভিড সংক্রমণের তথ্য পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। এই মুহূর্তে ন্যাশনাল টেকনিক্যাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ অফ ইমিউনাইজেশনের অগ্রাধিকার হল ১২-১৮ বছর বয়সীরা।
