
আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটাল্স বনাম চেন্নাই সুপার কিংস ম্যাচে ১৫ বল বাকি থাকতেই ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতল সিএসকে৷ এদিন প্রথমে ব্যাট করে ৭ উইকেটে ১৫৫ রান করে দিল্লি, তার সিএসকে ১৭.৩ ওভারে ২ উইকেটে ১৫৯ করে নেয় সিএসকে, ৫২ বলে ৮৭ সঞ্জু স্যামসনের৷
কলকাতা: ইংল্যান্ডের বিপক্ষে একটি টেস্ট ম্যাচে করুণ নায়ার যখন ট্রিপল সেঞ্চুরি করেন, তখন বলা হয়েছিল যে ভারত টপ অর্ডারে একজন নতুন সুপারস্টার খুঁজে পেয়েছে। বীরেন্দ্র সেওয়াগের পর করুণ ছিলেন এই কৃতিত্ব অর্জনকারী দ্বিতীয় ভারতীয়। তবে, সেই ট্রিপল সেঞ্চুরির পর করুণের ভাগ্য খারাপ হতে শুরু করে এবং এই ক্রিকেটার মানিয়ে নিতে সংগ্রাম করতে থাকেন। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ট্রিপল সেঞ্চুরির পর করুণের ব্যাট রানের ছন্দ হারায়৷
ফলাফলটা স্পষ্টই ছিল: দল থেকে বাদ পড়লেন তিনি, কিন্তু করুণ নায়ার হাল ছাড়েননি। তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে প্রচুর রান করেন এবং দীর্ঘ অনুপস্থিতির পর গত বছর ইংল্যান্ড সফরের জন্য টিম ইন্ডিয়াতে ফিরে আসেন। তবে, তাঁর ট্রিপল সেঞ্চুরির পর একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে। করুণ আবারও ভারতীয় দল থেকে বাদ পড়েন, কিন্তু তাঁর দুর্ভাগ্য পিছু ছাড়েনি, এবং তিনি এখন আইপিএল ২০২৬-এ খেলছেন।
আইপিএল ২০২৬-এ করুণ নায়ারও ব্যর্থ হয়েছেন।আইপিএলে করুণ নায়ার সীমিত সুযোগ পেলেও, তিনি যে ম্যাচগুলিতে খেলেছেন তার বেশিরভাগেই ব্যর্থ হয়েছেন। আইপিএল ২০২৬-এর ৪৮তম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিপক্ষেও একই রকম পরিস্থিতি দেখা যায়। অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামে সিএসকে-র বিপক্ষে দিল্লি ক্যাপিটালস দ্রুত দুটি উইকেট হারালে, করুণকে চার নম্বরে ব্যাট করতে পাঠানো হয়।
দলের জন্য ইনিংস গড়ে তুলে কঠিন পরিস্থিতি থেকে দলকে বের করে আনার দারুণ সুযোগ ছিল করুণের, কিন্তু তিনি ব্যর্থ হন। ১৩ বলে ১৩ রান করে আউট হন করুণ নায়ার। এই হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর করুণ নিশ্চয়ই নিজের ভাগ্যকেই শাপ-শাপান্ত এবং ভাবছেন কেন এমনটা তার সঙ্গেই হচ্ছে। এই মরশুমে এটি ছিল করুণের খেলার দ্বিতীয় সুযোগ।
ব্যাটে তাঁর ফ্লপ শো-র পর ফিল্ডিং করার সময় একটি ক্যাচ ফেলার ক্ষেত্রেও তার ভূমিকা ছিল, যার ফলে দিল্লি ক্যাপিটালস ম্যাচটি হেরে যায়।
(Feed Source: news18.com)
