Kuljeet Kaur Marhas: ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ভারতীয় বিজ্ঞানী কুলজিৎ কৌর মরহস! প্রথম মহিলা হিসেবে কী করলেন জানেন? বিশ্বজুড়ে হইচই

Kuljeet Kaur Marhas: ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ভারতীয় বিজ্ঞানী কুলজিৎ কৌর মরহস! প্রথম মহিলা হিসেবে কী করলেন জানেন? বিশ্বজুড়ে হইচই

Kuljeet Kaur Marhas: ভারতের মহাকাশ ও গ্রহবিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন কুলজিৎ কৌর মরহস। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সংস্থা ‘দ্য মেটিওরিটিক্যাল সোসাইটি’-র ফেলো নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে এই বিরল সম্মান অর্জন করলেন।

ভারতের মহাকাশ ও গ্রহবিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রে ইতিহাস সৃষ্টি করলেন কুলজিৎ কৌর মরহস। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সংস্থা ‘দ্য মেটিওরিটিক্যাল সোসাইটি’-র ফেলো নির্বাচিত হয়ে তিনি প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসেবে এই বিরল সম্মান অর্জন করলেন। এই স্বীকৃতি সাধারণত সেইসব বিজ্ঞানীদের দেওয়া হয়, যাঁরা উল্কাপিণ্ড, গ্রহদের পদার্থ এবং সৌরজগতের উৎপত্তি ও বিবর্তন নিয়ে গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

তৃতীয় ভারতীয় বিজ্ঞানী হিসেবে এই বিরল সম্মান পেলেন কুলজিৎ৷ এর আগে শুধুমাত্র দেবেন্দ্র লাল এবং জে এন গোস্বামী এই স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, মেটিওরিটিক্স এবং কসমোকেমিস্ট্রি অত্যন্ত নির্দিষ্ট একটি গবেষণাক্ষেত্র, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকা, ইউরোপ এবং জাপানের গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলির আধিপত্য রয়েছে। সেই প্রেক্ষিতে একজন ভারতীয় মহিলার এই স্বীকৃতি অর্জন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

বর্তমানে তিনি আহমেদাবাদের ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির প্ল্যানেটারি সায়েন্স ডিভিশনের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি ভারতের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ ও গ্রহবিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র এবং ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর সঙ্গেও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।

দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে মারহাস প্রাচীন মহাজাগতিক পদার্থ বিশ্লেষণ করে পৃথিবী, গ্রহাণু এবং সৌরজগতের প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন বছরের বিবর্তনের ইতিহাস অনুসন্ধান করে চলেছেন। তিনি বিশেষভাবে পরিচিত উন্নত আইসোটোপিক বিশ্লেষণ প্রযুক্তি যেমন সেকেন্ডারি আয়ন মাস স্পেকট্রোমেট্রি (সিমস) এবং ন্যানোসিমস ব্যবহারে দক্ষতার জন্য।

বিদেশে গবেষণার পর দেশে ফিরে তিনি ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরিতে ভারতের অন্যতম আধুনিক ন্যানোসিমস গবেষণা পরিকাঠামো গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

শুধু গবেষণাই নয়, আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক মহলেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির তথ্য অনুযায়ী, তিনি ‘দ্য মেটিওরিটিক্যাল সোসাইটি’-র কাউন্সিল সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, নাসার বিভিন্ন রিভিউ প্যানেলে কাজ করেছেন এবং একাধিক আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নালের সম্পাদকীয় বোর্ডের সদস্য হিসেবেও যুক্ত ছিলেন।

এছাড়া তিনি আমেরিকান জিওফিজিক্যাল ইউনিয়নের ফেলো এবং গ্রহবিজ্ঞান ও কসমোকেমিস্ট্রিতে অবদানের জন্য ‘দেবেন্দ্র লাল মেমোরিয়াল মেডেল’-এ সম্মানিত হয়েছেন।

(Feed Source: news18.com)