
মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে জুন ডেলিভারির সোনার ফিউচার এদিক বেড়ে যায় প্রায় ৭ শতাংশের বেশি। টাকার হিসাবে প্রতি ১০ গ্রামের দাম ১১ হাজার টাকার বেশি বেড়ে ১ লক্ষ ৬৪ হাজার ৪৯৭ টাকায় ঠেকে যায়। যদিও তারপর কিছুটা কমে ১ লক্ষ ৫৪ হাজার টাকার আশেপাশে লেনদেন হতে থাকে এই ধাতুর দাম। যা আগের দিনের তুলনায় ৬ শতাংশ বেশি।
অন্যদিকে রুপোর জুলাইয়ের ডেলিভারি ফিউচারও একলাফে অনেকটা বেড়ে গিয়েছে। রুপোর দাম একলাফে বেড়ে গিয়েছিল প্রায় ৮ শতাংশ বা ২২ হাজার টাকার বেশি। ফলে এদিন প্রতি কেজি রুপোর দাম পৌঁছে গিয়েছিল ৩ লক্ষ ১ হাজার টাকার উপরে। যদিও পরে কিছুটা কমে রুপোর দাম দাঁড়ায় ২ লক্ষ ৯৭ হাজার টাকার আশেপাশে।
এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হল কেন্দ্রের নতুন আমদানি শুল্ক নীতি। সরকার সোনা ও রুপোর উপর আমদানি শুল্ক ৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯ শতাংশ করে দিয়েছে। একই ভাবে বেড়েছে প্ল্যাটইনমের উপর আমদানি শুল্কও।
সরকার যদিও বলছে, গোটা বিশ্ব জুড়ে এই অনিশ্চয়তার মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রার খরচ কমানো, চলতি হিসাব ঘাটতি কমানো এবং অপ্রয়োজনীয় আমদানি নিয়ন্ত্রণ করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও এর ফলে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে বলেই মনে করছে সরকার।
আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার দাম কিছুটা বেড়েছে। COMEX-এ সোনার দাম ০.৫২ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্সে ৪,৭১০ ডলারে পৌঁছেছে। একইভাবে রুপোর দামও ২.২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী কয়েকদিন বাজারে অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
তথ্যসূত্র: IANS
(Feed Source: abplive.com)
