
Shatadru Dutta FIR: ‘অরূপ ও জুঁইয়ের সঙ্গে আরও অনেকেই মাঠে ঢুকেছিলেন। তাঁদের সবাইকে শনাক্ত করা হচ্ছে। সবার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে’।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মেসিকাণ্ডে এবার নয়া মোড়। রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, জুঁই বিশ্বাস ও রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে এবার FIR করলেন ক্রীড়া সংগঠন শতদ্রু দত্ত। তাঁর বিস্ফোরক অভিযোগ, ‘২২, ৫০০ টিকিট নিয়ে ব্ল্যাক করেছিলেন অরূপ বিশ্বাস’।
আগামী দিন ৫০ কোটি টাকা মানহানি মামলার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শতদ্রু। শুধু তাই নয়, ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হবেন তিনি। শতদ্রুর দাবি, তাঁর কাছ থেকে জোর করে একাধিক লোকের মাঠে ঢোকার অনুমতিপত্র নিয়েছিলেন অরূপ বিশ্বাস। জুঁই বিশ্বাসের নাকি মাঠে ঢোকার কোনও কার্ডই ছিল না! তারপরেও মাঠে ঢুকেছিলেন এবং ছবি তুলেছিলেন। জানিয়েছেন, ‘অরূপ ও জুঁইয়ের সঙ্গে আরও অনেকেই মাঠে ঢুকেছিলেন। তাঁদের সবাইকে শনাক্ত করা হচ্ছে। সবার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে’।
কী ঘটেছিল সেই দিন?
২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর। কলকাতার ফুটবল পাগল দর্শকদের জন্য দিনটি ছিল স্বপ্নের মতো। লিওনেল মেসি, লুইস সুয়ারেজ ও রড্রিগো দি’পল পা রেখেছিলেন তিলোত্তমায়। কিন্তু যুবভারতীর ৬০ হাজার দর্শকের স্বপ্ন নিমেষেই ধূলিসাৎ হয়ে যায়। অভিযোগ, মেসি মাঠে প্রবেশ করা মাত্রই তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও তাঁর অনুগামীরা প্রিয় ফুটবলারকে কার্যত ‘ছেঁকে’ ধরেন। শতদ্রু দত্তের দাবি, দর্শকদের দেখার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বারবার সরে যেতে অনুরোধ করা হলেও কেউ কর্ণপাত করেননি। যার ফলে হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কাটা দর্শকরা এক ঝলকও মেসিকে দেখতে পাননি। এর পরেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় যুবভারতী। ক্ষুব্ধ জনতা চেয়ার ভাঙা থেকে শুরু করে মাঠের কার্পেট তুলে নিয়ে যাওয়ার মতো নজিরবিহীন তাণ্ডব চালায়।
সেদিন রাতেই কলকাতা বিমানবন্দর থেকে গ্রেফতার করা হয় অনুষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা শতদ্রুকে। ৩৮ দিন জেল খাটতে হয়েছিল তাঁকে। রাজ্য পালাবদলের পর শতদ্রু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আর চুপ থাকবে না। বস্তুত, দিন কয়েক আগে ফেসবুকে পোস্ট লিখেছেন, ‘আমার টিমের কাছে জোর করে অ্যাক্সেস কার্ড চাওয়া হয়েছিল। না দেওয়ায় তাদের ঘরবন্দি করে রাখা হয়। আপনারা স্রেফ আমার ইভেন্ট নষ্ট করেননি, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন। আপনাদের জন্য আমি ৩৮ দিন জেলে ছিলাম। এবার সবকিছুর হিসেব হবে। ভগবান সব দেখছেন’।
(Feed Source: zeenews.com)
