Operation Sindoor: ‘ভারতের ২ এয়ারবেসে হামলা চালিয়েছিলাম’, মন্তব্য করতেই বেরিয়ে পড়ল পাক ক্যাপ্টেনের মিথ্যের বহর

Operation Sindoor: ‘ভারতের ২ এয়ারবেসে হামলা চালিয়েছিলাম’, মন্তব্য করতেই বেরিয়ে পড়ল পাক ক্যাপ্টেনের মিথ্যের বহর

Operation Sindoor: সাক্ষাতকারে মুনিব বলেন, দুটো টার্গেট আমাদের দেওা হয়েছিল। সেগুলি হল রাজৌরি এয়ারবেস ও মামুন এয়ারবেস। ওই ২ লক্ষ্যে আমাদের হামলা সাকসেসফুল ছিল

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পহেলগাম জঙ্গি হানার পাল্টা হিসেবে ভারত অপারেশন সিঁদুর চালায় পাকিস্তানে। মাত্র কয়েকদিনের পাল্টা হানায় নাস্তানাবুদ হয়ে যায় শাহবাজ শরিফ সরকার। নুর খান এয়ার বেস থেকে পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গি ঘাঁটি তছনছ করে দেয় ভারত। আর মুখরক্ষা করে আসরে নেমে পড়ে পাকিস্তানও। তারাও বলতে শুরু করে, আমরা এই করছি, সেই করেছি। সেটা করতে গিয়েই খেই হারিয়ে ফেলেন এক পাক ক্যাপ্টেন। দাবি করেন, পকিস্তান ভারতের দুটি এয়ারবেসে হামলা চালিয়েছে। কিন্তু ওই দাবি করতে গিয়েই ‘ধরা খেয়েছেন’ ওই পাক জওয়ান। যে দুটি এয়ারবেসের কথা পাকিস্তানের তরফে বলা হয়েছিল তার কোনও অস্তিত্বই নেই ভারতে।

মুনিব জামাল নামে ওই পাক ক্যাপ্টেন দাবি করেন, পাকিস্তানের অপারেশন বানিয়ান উল মারসুরে পাক বায়ু সেনা জম্মু-কাশ্মীর, রাজস্থান, গুজরাট ও পাঞ্জাবে হানা দেয়। গত বছর ১০মে ওই অভিযানে পাক সেনা ফাতাহ-১ গাইডেড অ্যটিলারি রকেট ব্য়বহার করে। ওই হামলায় ভারতের ‘রাজৌরি এয়ারবেস’ ও ‘মামুন এয়ারবেস’-এ আঘাত হানে পাক সেনা। পাক সেনা ক্যাপ্টেন ওরকম চাঞ্চল্যকর দাবি করলেন বাস্তবে, ‘রাজৌরি এয়ারবেস’ ও ‘মামুন এয়ারবেস’ এর কোনও অস্তিত্বই নেই। রাজৌরি জম্মু ও কাশ্মীরের একটি জেলা হলেও সেখানে কোনও এয়ারবেস নেই।

সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে মুনিব বলেন, দুটো টার্গেট আমাদের দেওা হয়েছিল। সেগুলি হল রাজৌরি এয়ারবেস ও মামুন এয়ারবেস। ওই ২ লক্ষ্যে আমাদের হামলা সাকসেসফুল ছিল।

পাক ক্যাপ্টেনের ওই দাবিতে ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। একজন লিখেছেন, মানচিত্র বিশেষজ্ঞ, গুগল ম্যাপস এবং ভারতীয় বায়ুসেনা মিলে ‘রাজৌরি এয়ারবেস’ ও ‘মামুন এয়ারবেস’-এর খোঁজে যৌথ অভিযান শুরু করেছে। কেউ যদি এই জায়গাগুলোর অবস্থান জানেন, তাহলে দয়া করে সরকারি কর্তাদের জানান।

অপারেশন বানিয়ান উল মারসুরে-এ পাকিস্তান দাবি করেছিল, তারা ভারতের উধমপুর এয়ারবেস, পাঠানকোট এয়ারবেস এবং আদমপুর এয়ারবেসকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। সীমান্তের উত্তেজনার প্রভাব যুদ্ধক্ষেত্র থেকে অনেক দূরের গ্রামাঞ্চলেও পৌঁছে যায়। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শ্রীনগরের ডাল লেক থেকেও একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়।

(Feed Source: zeenews.com)