
আপনি যে এই অভিযোগ করলেন মূলত তার কারণ কী? কেন আপনার মনে হল ২০২১ সালের ভোট পরবর্তী হিংসায় পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের প্রত্যক্ষ যোগ রয়েছে?
দেখুন আমি এই অভিযোগ করেছি কারণ পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের একটা ট্যুইট দিন ৬-৭ আগে দেখলাম সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরছে। আমি যাঁদের হ্যান্ডেলে এই ট্যুইট দেখেছি তাঁরা খুবই বিশ্বাসযোগ্য। আমি ট্যুইটা-টা পেয়েছি কাঞ্চন গুপ্তর একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে, যিনি একজন সিনিয়র সাংবাদিক এবং মিনিস্ট্রি অফ ব্রডকাস্টের মিডিয়া অ্যাডভাইসর। তাঁর ফেসবুক পোস্ট থেকে আমি এই ট্যুইট-টা দেখতে পাই। এই প্রথম ট্যুইট-টা দেখলাম কারণ আমি ট্যুইটারে নেই। ট্যুইট-টা দেখার পর তার তারিখ এবং সময় দেখলাম। বিকেল ৪টে নাগাদ ট্যুইট-টা করা হয়েছিল। আর ৪.১৩-তে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় কমেন্ট করেছিলেন। এই ট্যুইটে যে উস্কানি ছিল সেটাকেই আরও কিছুটা বাড়িয়ে দিয়ে কমেন্ট করেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। ২০২১ সালের ২ মে বিকেলবেলায় পরমব্রত যে ট্যুইট করেছিলেন ততক্ষণে ভোট পরবর্তী হিংসা শুরু হয়ে গিয়েছে। সবাই জানতে পেরেছেন। বিশেষ করে রাজনীতির বৃত্তে থাকারা তো জানতে পেরেইছেন যে অশান্তি শুরু হয়ে গিয়েছে। পরমব্রত যে পোস্ট করেছিলেন ‘আজ বিশ্ব রগড়ানি দিবস ঘোষিত হোক’ – এর মাধ্যমে বড়সড় অশান্তির উস্কানি এবং প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। তারপর আমার পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বিকেল ৫টা নাগাদ কলকাতায় প্রথম খুনটা হয়, অভিজিৎ সরকার নামে একজন যুবকের। পরেশ পালের নেতৃত্বে খুন করা হয়। পরেশ পাল তখন বিধায়ক ছিলেন। তো এটাই কারণ।
পুলিশের থেকে কী পদক্ষেপ প্রত্যাশা করেন?
এই অভিযোগ আইপিসি- র ১০৭ ধারার আওতায় পড়ে, যেটা এখন হয়ে গিয়েছে বিএনএস- এর ৪৭ ধারা। এই অভিযোগ জামিন অযোগ্য ধারার আওতাধীন। পুলিশ চাইলে এখন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এবং স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। আমি চাইব পুলিশ ঠিকঠাক তদন্ত করুক। পরমব্রত এবং স্বস্তিকার সামাজিক অবস্থান কিংবা পেজ থ্রি স্টেটাসে প্রভাবিত না হয়ে সঠিক পথে সঠকভাবে প্রমাণ সংগ্রহ করে যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত করুক এবং তাদের তদন্ত বিচারকের সামনে উপস্থাপিত করুক। সবার আগে চাইব নিয়ম মেনে পুলিশের তরফে একটা ক্রিমিনাল কেস দায়ের হোক।
(Feed Source: abplive.com)
