
Jammu Kashmir Cable Car Horror: কেবল কারে প্রযুক্তিগত ত্রুটি, গুলমার্গে ৩০০ পর্যটককে উদ্ধার করতে তৎপর সেনা ও এনডিআরএফ। কীভাবে হল এমন ভয়াবহ কাণ্ড?
গুলমার্গ: জম্মু ও কাশ্মীরের জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র গুলমার্গে বড়সড় যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে মাঝ আকাশে আটকে পড়লেন শতাধিক পর্যটক। সোমবার আচমকাই বন্ধ হয়ে যায় গুলমার্গ গন্ডোলা পরিষেবা, ফলে রোপওয়ের একাধিক কেবিনে প্রায় ৩০০ পর্যটক দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলন্ত অবস্থায় আটকে পড়েন। ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লেও এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর নেই বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
এশিয়ার অন্যতম উচ্চতম ও জনপ্রিয় কেবল কার পরিষেবা হিসেবে পরিচিত গুলমার্গ গন্ডোলা প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটককে আকর্ষণ করে। সোমবার পরিষেবা চলাকালীন আচমকাই প্রযুক্তিগত ত্রুটি দেখা দেয়। মুহূর্তের মধ্যে থেমে যায় রোপওয়ের দুই ধাপের পরিষেবা। পাহাড়ি এলাকায় বহু কেবিন মাঝ আকাশে ঝুলন্ত অবস্থায় আটকে পড়ে।
Large Scale Rescue Operations at Gulmarg Gandola by Trained Teams in Progress.
Swift and coordinated rescue efforts by #ChinarCorps, #IndianArmy and #Gulmarg Gandola operators are underway after ropeway cabins got stranded mid-air.
65 cabins were stranded and till now 80… pic.twitter.com/uPhCzYkiq6
— NORTHERN COMMAND – INDIAN ARMY (@NorthernComd_IA) May 25, 2026
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু করে প্রশাসন। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (SDRF), জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (NDRF), জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর যৌথ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মীরা পর্যটকদের একে একে নিরাপদে নিচে নামিয়ে আনতে শুরু করেন।
প্রশাসন সূত্রে খবর, সন্ধ্যার মধ্যেই বহু পর্যটককে নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের নামানোর কাজও দ্রুতগতিতে চলতে থাকে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সমস্ত কেবিন অক্ষত ছিল, ফলে বড়সড় দুর্ঘটনার সম্ভাবনা এড়ানো গিয়েছে। ঘটনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ওমর আবদুল্লাহ। তিনি জানান, সরকার গোটা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে এবং উদ্ধারকাজ সুষ্ঠুভাবে এগোচ্ছে। সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত না হওয়ার আবেদনও করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, “প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দল মাটিতে কাজ করছে এবং প্রত্যেক পর্যটককে নিরাপদে নামিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।”
এই ঘটনায় ফের পাহাড়ি পর্যটনকেন্দ্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রোপওয়ে পরিষেবার রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষ করে পর্যটনের মরশুমে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ গুলমার্গ গন্ডোলায় চড়তে আসেন। ফলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে আরও কড়া নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত নজরদারির দাবি উঠছে।
